চট্রগ্রাম মহানগর যুবলীগ ৯০ দিনের কমিটি ৫বছর পার।পূর্ণাংঙ কমিটি গঠনে ব্যর্থ।

Awami-jubo-l-egue-2.jpg

জাহাংগীর আলম শুভ/আনিসুর রহমান:-চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগ কমিটি প্রতিনিয়ত পূর্ণাংগকমিটি গঠনের সম্ভাবনা থাকলে ও আদৌ কখন যে হবে সে গ্যারান্টি নেই।আওয়ামীলীগ নেতারা কখন একসাথে বসে পূর্ণাংগ কমিটি করে ঢাকা কেন্দ্রে পাঠাবেন সেটাই বড় কথা।অনেকটা রাগ ক্ষোভের প্রকাশই যেন হচ্ছিল যুবলীগ আহবায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চুর কন্ঠে।চট্টগ্রামে রাজনীতির দুই মেরুতে
থাকা নগর আওয়ামীলীগ প্রয়াত সভাপতি মহিউদ্দিন চৌধুরী ও সাধারন সম্পাদক আ,জ,ম নাসির উদ্দিনের মাঝে দ্বন্দ দীর্ঘদিনের। তাহলে কি কোন্দলের কারনই কি
এর জন্য দায়ী? এমন প্রশ্নে কোন্দল অস্বীকার করলেন মহিউদ্দিন বাচ্চু।তিনি একে প্রতিযোগিতা বলে আখ্যা দেন।

২০১৩ সালের ৯ জুলাই মহিউদ্দিন বাচ্চু আহ্বায়ক ও দেলোয়ার হোসেন খোকা, ফরিদ মাহমুদ,দিদারুলআলম, মাহবুবুল হক সুমনকে যুগ্ম-আহ্বায়ক করে ১০১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটির ঘোষনা দেয় কেন্দ্র থেকে। ৯০ দিনের মধ্যে পূর্ণাংগ কমিটি ঘোষণা দেওয়ার কথা,সেখানে ৫বছর পার হয়ে গেলে ও ৯০ দিন যেন শেষ হতে চায় না।দলের দূর্দিনে হাল ধরা কর্মীরা পাচ্ছে না কোন পদ। সৃষ্টি হয়নি পরবর্তী কোন প্রজন্ম। সরকারী দল না থাকলে আন্দোলনে কর্মী খুজে পাওয়া যায় কিনা সন্দেহ পোষন করেন মহানগর যুবলীগ সদস্য শাহেদ হোসেন টিটু।তিনি নতুন কমিটি গঠনের পক্ষে মত দিলেন।যাতে নতুন নেতৃত্বে
শক্তিশালী হয় যুবলীগ। কিছু আগে নতুন কমিটি গঠন হওয়ার গুন্জন শোনা গেলে সেখানে কাংঙিত পদের জন্য
লবিং আরম্ভ করেছিলেন,হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর,ফরিদ মাহমুদ,দিদারুল আলম মাসুম,লিমনসহ অনেকে।দল ভারী করতে কর্মীদের পিছনে ব্যয় করে লক্ষ লক্ষ টাকা।পরিশেষে ফলাফল শূন্য।মূলা ঝুলানোর এই কমিটির পদ প্রত্যাশীরা চুপসে যায়। নতুন কমিটি কেন্দ্র থেকে গঠনের আদৌ কোন সম্ভাবনা রয়েছে কিনা?জানতে চাওয়া হয় ফরিদ মাহমুদের কাছে,তিনি বলেন সামনে জাতীয় নির্বাচন,আমরা আপাদত সেটা নিয়ে কাজ করছি
তবে নির্বাচনের আগে নতুন কমিটি গঠন কোন অবস্হায় সম্ভব নয় বলে জানান।কেন্দ্রীয় যুবলীগ সভাপতি জনাব ওমর ফারুক এই বিষয়ে বলেন।সামনে নির্বাচন,তাই এখন কোন কমিটি দেওয়ার প্রশ্নই উঠে না।চট্টগ্রামের বিষয়টি আমার স্বরন আছে,নির্বাচনের পর পরই চট্টগ্রাম নিয়ে চিন্তা করবো বলে জানান ওমর ফারক।

Comments

comments

Top