চট্রগ্রাম আকবরশাহ এলাকায় ডাকাত সর্দারের নেতা হওয়ার সাধ! জনমনে ভীতি

IMG_20180916_005643_473.jpg

চট্টগ্রাম অফিস:শুক্রবার বিকেলে আকবর শাহ কাঁচা বাজার,রেল হাউজিং,মাজার রোড এলাকায় যুবলীগ নামদিয়ে অতর্কিত একটি মিছিল আরম্ভ হলে লোকজন মিছিলের ব্যক্তি ও ব্যানার দেখে হতবাক!

থানার তালিকাভূক্ত মাদক বিক্রেতা ও ডাকাত নামধারী হানিফ সুমন প্র:ডাকাত সুমনের নেতৃত্বে মাদকবিরোধী মিছিল!একজন মাদক বিক্রেতা দিচ্ছে মাদকবিরোধী মিছিলের নেতৃত্ব!তাও যুবলীগের ব্যানারে।নেতা হওয়ার খায়েসে,ছবি ওর্য়াড যুবলীগের সহসভাপতির পদ লিখা ব্যানার!”ডাকাত ও মাদক বিক্রেতা এখন যুব লীগ নেতা হওয়া এমন মন্তব্য পথচারীদের”

মাদক বিক্রেতা ও ডাকাত কিভাবে যুবলীগ পদ পেলো? আসলে সে ভূয়া পদ ব্যবহার করছে।চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগ আহবায়ক মহি উদ্দিন বাচ্চুকে ফোনে না পেয়ে ,যুগ্ন আহবায়ক দিদারুল আলম দিদার প্রতিবেদককে এ ভূয়া পদবীর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।দলের ব্যানারে এমন অপকর্ম কিভাবে করছে? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন:-যার কোন পদ নেই তার বিরুদ্ধে কিভাবে ব্যবস্হা নিবো বলুন।কেন্দ্রের নির্দেশ মোতাবেক মহানগর যুবলীগ সংবাদ পএে বিজ্ঞতি দিয়ে এমন কর্ম থেকে বিরত থাকার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন নগর যুবলীগ।কেউ নিজের স্বার্থেই এমন করছে।তিনি ৯নংওয়ার্ড যুবলীগের আহবায়ক রাজীব ও যুগ্ন আহবায়ক বিভেোর নামে ২জন ওয়ার্ডের সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানান।
পুলিশের খাতায় হানিফ সুমন প্র:ডাকাত সুমন প্র:লম্বা সুমন পিতা:-আব্দুল মালেক,নিউ শহীদলেইন,বিহারী কলোনী বস্তি।সে খুলশী তালিকাভূক্ত ছিনতাইকারী পাহাড় তলীর তালিকায় আন্ত:জেলা ডাকাত।২০১২ সালের ৩০শে জুন ডাকাতির মালামাল সহ পাহাড়তলী থানায় আটক হয়,আকবরশাহ থানার তালিকায় মাদকব্যবসা ও মদত দানের অভিযোগ।মাদক,ডাকাতি,ছিনতাই মামলা রয়েছে তার।২৪ফেব্রু ২০১৭ মোহনা টিভির সি:রির্পোটারজাহাংগীর আলম শুভকে সংবাদ সংগ্রহ কালে হামলা চালায়।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশে র্যাব,ডিবি,পুলিশ তার মাদকস্পট গুড়িয়ে দেয়,এবং তাকে গ্রেফতারে অভিযানে পালিয়ে বাঁচে।। এবার আকবরশাহ পাহাড়ের নীচে সরকারী জায়গা দখল করে ঘর তৈরী করে চালাচ্ছে মাদক ব্যবসা।ডাকাতি পরিকল্পনা ও ডাকাতির মালামাল ভাগ হয় এখান থেকে।

বিহারী কলোনীর মতো আকবরশাহ বাজার,রেলওয়ে হাউ জিংয়ে আধিপত্য বিস্তার করতে ও মাদক ব্যবসা নিরাপদ রাখতে সহযোগীদের নিয়ে অস্রের মহড়া। বাধা দিতে এসে কয়েক দিন পূর্বে হাউজিং সোসাইটির কমিটির এক মুক্তি যোদ্ধাকে লান্চিত করে।রেলওয়ে সিসিএস অফিসে চাঁদা বাজী করতে গিয়ে এক যুবলীগ নেতাকে লান্চিত করে।
নিরাপদ ঘাটি হিসাবে সহযোগী মিলে আকবরশাহ রেল হাউজিংকে বেছে নেয়। মাদক বিরোধী মিছিলের আড়ালে মূলত আধিপত্য বিস্তারই তার লক্ষ্য।ফলে ভীতির মধ্যে আকবরশাহ এলাকাবাসী।গত সপ্তাহে আকবরশাহ হাউজিং
এক বাসায় ডাকাতি করে এই ডাকাত সুমন।ভয়ে চেপে যান ক্ষতিগ্রস্হ্য পরিবার।
বণিক কল্যান সমিতির দায়িত্বশীল একব্যক্তি বলেন:-এই ডাকাত দলবল নিয়ে প্রতিদিন আকবরশাহ বাজার এলাকা তার সহযোগী নিয়ে প্রকাশ্য ঘুরছে।তাকে দ্রুত গ্রেফতার করা না গেলে আকবরশাহ থানা এলাকায় ডাকাতির ঘটনা বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।আকবর শাহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জসীম উদ্দিন জনমনে ভীতি এবং ডাকাত সুমনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের বিষয়ে বলেন:-বিষয়টি আমার দৃষ্টিতে আনা হয়েছে,যা আমার জানা ছিলনা।আমি অবশ্যই খোজ খবর নিয়ে যত দ্রুত সম্ভব ব্যবস্হা গ্রহন করবো।ডাকাতির আশংকায় রেলওয়ে সোসাইটি,বাজার কমিটি তাদের নিরাপওা দিগুন করে।

Comments

comments

Top