ফেনী-২।এমপি দৌড়ে আযহারুল হক আরজু সুবিধাজনক স্হানে।মানুষের ঢল

CollageMaker_20180902_134329915.jpg

জাহাংগীর আলম (শুভ):-৩০শে আগষ্ট বিকেল ৫.৩০মি
কোরবানির ঈদের পরপরই একটি গ্রুপট্যাুরে ভারতে গিয়ে
ফেনী নিজ বাড়ীতে ফিরছিলেন ধর্মপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের টিকেটে এমপি প্রাথী এম আযহারুল হক আরজু।তার আসার সংবাদে শতশত মানুষ ঈদ শুভেচ্ছা জানাতে দুপুরের পর থেকে ভীড় করতে থাকে বাড়ী ও মূলসড়কের উপরে।ঈদ শুভেচ্ছা জানাতে আসা মানুষের ঢল যেন সমাবেশ স্হলে পরিনত হল।অবশেষে আরজুর আগমনে ফেনীর রাজনীতির মাঠ আবার গরম হলো।
ঈদ কাটতে না কাটতে ফেনীর রাজনীতি আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে।কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে কোরবানীর গরু এবং গরুর দামের কাছে এতোদিন রাজনীতি চাপা পরেছিল।

ফেনীর রাজনীতিতে চলছে একের পর এক চমক।একরাম হত্যার জন্য দায়ী এমপি নিজাম হাজারী একরামের কবর যিয়ারতের ছবি ফেনীর টক অব দ্যা টাউন।অপর দিকে ঈদের দিন জয়নাল হাজারী ও ইকবাল সোবহান চৌধুরী হেনসেক করা ছবি দেখে অনেকে চোখ কপালে।ফেনীর জনগন হিসেব মিলাতে পারছে না,আসলে কে হবেন আগামীর ফেনী-২ আসনে আওয়ামী কান্ডারী? তবে মাঠ পর্যায়ের জরিপ,রাজনৈতিক সমীকরন,গোয়েন্দা প্রতিবেদন
সব মিলিয়ে এখনো তুলনা মূলক সুবিধাজনক অবস্হায় রয়েছেন এম,আযহারুল হক আরজু।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ফেনী জেলার পুলিশের একউদ্ধওন কর্মকর্তাকে আরজুর আগমনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্হিতি কেমন?তিনি বলেন:-অবাক করার বিষয় আরজু কোন এমপি বা রাজনৈতিক দলের বড় কোনপদে নেই।তবু ব্যক্তি জনপ্রিয়তায় যেন সবাইকে ছাড়িয়ে গেছে।তাকে রক্ষায় আমার মনে হয়না পুলিশের কোন দরকার আছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে বড় কোন জটিলতা না থাকলে ভবিষ্যৎ আওয়ামীলীগের রাজনীতির নেতৃত্ব তার হাতে। বিশ্লেষকদের মতে একদিকে জনপ্রিয়তার শীর্ষেথাকা অন্যদিকে ফেনীর গ্রুপিংয়ের অবসান ঘটানোর একমাএ পথই খোলা রয়েছে আরজুকে নমিনেশন দেওয়ার মাধ্যমে।

জয়নাল হাজারীর সাথে নিজাম হাজারী দা-কুমড়া সম্পক ,ইকবাল সোবহান চৌধুরীর সাথে নিজাম হাজারীর সাপে নেউলে সম্পর্ক।জয়নাল হাজারী নির্বাচন করবেনা বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন টাইমস বিডি নিউজকে। ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে কোন ভাবে জয়নাল হাজারী ও নিজাম হাজারী মেনে নিবেনা অতীত ইতিহাস তাইবলে।আযহারুল হক আরজুকে টিকেট দিলে জয়নাল হাজারী ,নিজাম হাজারীর তেমন কোন আপওির সুযোগ নেই। কেননা,জয়নাল হাজারীর শীর্ষ আরজু,অন্যদিকে নিজাম হাজারীর প্রতিপক্ষ আরজু হলে ও ইকবাল সোবহান নমিনেশন পেলে নিজাম হাজারীর ভয়ের কারন সব চেয়ে বেশী,সেক্ষেএে আরজু বেটার।বলা চলে সবদিকে আরজুর পাল্লাই এখন পযন্ত্য ভারী।
নির্ভরযোগ্য সূএের দাবী নিজাম না পেলে আরজুই হবে আগামীর ২ আসনের নেতা। নিজাম হাজারী আর এমপিত্ব পাচ্ছেন না,তা অনেকটা নিশ্চিত।ইকবাল সোবাহানের পদ থাকলে ও জনপ্রিয়তা নেই।কারন জাতীয় নির্বাচনে ইকবাল সোবহান একবার নির্বাচন করলে ও তিনি তার বাড়ীর সামনে কেন্দ্র থেকেই জয়লাভ করতে পারেনি।
শেখ হাসিনা জয়নাল হাজারীর বিকল্প ইকবাল সোবহান চৌধুরী, নিজাম হাজারীকে দিয়ে দেখেছেন।বাকি থাকলো আযহারুল হক আরজু। ফেনীতে বর্তমান আওয়ামীলীগ ও সাংগঠনিক যে হযবরল অবস্থা,তাতে সবকিছু পর্যালোচনা ,নেএীর সাফ কথা মাঠ পর্যায় যার অবস্হান তাকেই টিকেট দিবেন তিনি।নেএী সেই পথে হাটার সম্ভাবনাইবেশী।
সেই সুবাদে পাস মার্ক একমাএ আযহারুল হক আরজু পেয়েছেন।এই মূহুত্বে আরজু টিকেট পেলে,এতে করে আওয়ামীলীগের শ্যাম ও কূল দুই রক্ষা হবে। তানা হলে অস্তিত্ব সংকটে পরবে আওয়ামী রাজনীতি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে সব দিকে আরজুর পাল্লাটাই ভারী।

Comments

comments

Top