চট্টগ্রাম আকবরশাহ এলাকায় ডাকাত ও মাদক ব্যবসায়ীর আমন্ত্রণ রক্ষায় আওয়ামীলীগ নেতা! মিশ্র প্রতিক্রিয়া

IMG_20180812_134826_159.jpg

শাহরিয়ারঃচট্রগ্রাম
চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ উপেক্ষা করে,স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী,সিএমপি কমি শনারের জিরোটলারেন্স,আকবরশাহ থানা ও জনপ্রতিনিধিদের সৎইচ্ছা আন্তরিক প্রচেষ্টায় চট্টগ্রামের আকবরশাহ থানা এলাকার নিউশহীদ লেইন বিহারী কলোনীর সর্ববৃহও মাদকস্পট,উচ্ছেদ করে,একে বারে বন্ধ করতে সক্ষম হয়।আকবরশাহ থানা,কাউন্সিলর,আওয়ামীলীগ ,যুবলীগ,এলাকাবাসী।এই স্পটবন্ধ করতে গিয়ে পুলিশের গাড়ীতে হামলা,ভাংচুর করা হয়।রাস্তায় দেওয়া হয় ব্যরিকেড।তবু কঠোর সবাই
বন্ধ হোক মাদক।
মাস পার না হতেই,মাদক ব্যবসায়ী ডাকাত সুমন প্রঃ লম্বা সুমন তার সহযোগী ও উচ্ছেদকৃত মাদক ব্যবসায়ীর পরিবারের আমন্ত্রণ রক্ষায় ছুটে এলেন, ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ যুগ্ন-আহবায়ক সারয়ার মোর্শেদ কচি। ১০ই আগষ্ট(শুক্রবার)নিউশহীদ লেইন বিহারীকলোনীতে উচ্ছেদকৃতদের শান্তনাদান নামক সহানুভূতির আড়ালে,স্বার্থ হাসিলের গন্ধ ঠিকই টের পেয়ে যায় জনগন।ডাকাত ও মাদক ব্যবসায়ীদের ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হয়ে,উচ্ছেদকৃত মানুষকে বললেনঃ-ন্যায়বিচার তোমরা পাওনি,সব দোষ বিএনপি করা মাদক ব্যবসায়ী মনিরের।বিএনপির ঘারে বন্দুক রেখে আবার ও মাদকের পূন্যবাসন প্রক্রিয়ার রিস্তার লাব? প্রধান অতিথি বক্তব্য রাখলেন,পাশে উপবিষ্ট ডাকাত ও মাদক ব্যবসায়ী। ফেসবুক কল্যানে মানুষ দেখেই সমালোচনার ঝড় বইতে থাকে। চলতে থাকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।তবে এক্ষেএে নির্দোষ বলা চলে সারোয়ার মোর্শেদ কচিকে।কেন না,ভুল
পথে পরিচালনার করা হয়েছে বলে মনে করছেন কেউ কেউ।

উচ্ছেদকৃত স্হাপনার মানুষদের কি বুঝে এতদিন পর শান্তনা দিতে এলেন?এমন প্রশ্নে কচি বলেনঃ-এখানে মাদক গুরু মনিরের রাস্তার পাশ্বে একটি ঘর ভাংগা হয়, পিছনে আরো ২০টি ঘর থাকলে ও ভাংগা হয়নি।আপনিতো তা প্রশাষনের নজরে আনতে পারতেন।তাই বলে কার সাথে বসলেন? আমি সকলের সামনে আমার বক্তব্যে বলেছি,কোন মাদক ব্যবসায়ী যাতে আমার আশে পাশে না ঘেঁষে। যাদের আমন্ত্রণে এলেন,আপনার পাশে বন্চে বসা তারা কারা?একজন ডাকাত ও সাংবাদিকের ও পুলিশের উপর হামলাকারী, বাকীরা মাদক ব্যবসায় সম্পৃক্ত তাহলে? উঃ সুমন আমার কাছে স্বীকার করেছে,সে নয়,তার আত্মীয় সজ্বন করছে,তার পরে ও কেউ হয়তো সুযোগ নিতে পারে। আপনি কি জানেন,এই মনিরকে
গ্রেফতার করতে সুমন আর হেলাল সহযোগিতা করেছিল আমাকে?
মনিরকে ধরিয়ে দিয়েছে বলেই কি মাদক বিক্রির লাইসেন্স পেল? তাদের মাদক ব্যবসা তাহলে ধরার দায়িত্বকার?

হানিফ সুমন প্রঃ ডাকাত সুমন প্রঃ লম্বা সুমন পিতাঃ আব্দুল মালেক,নিউ শহীদ লেইন,আকবরশাহ।সিএমপির তালিকাভূক্ত ছিনতাইকারী (খুলশী),পাহাড়তলী আন্তঃ জেলা ডাকাতের তালিকায়,আকবর শাহ থানার মাদক ব্যবসা ও নিয়ন্ত্রণের তালিকায় লম্বা সুমনের নাম রয়েছে।

২০১২ সালে ২৭শে জুন,আন্তঃজেলা এক ডাকাতের জবা নবন্দিতে গ্রেফতার করে পাহাড়তলীথানা, মালামাল উদ্ধারে ৩দিন গ্রেফতার স্বীকার করেনি তারা।লম্বা সুমনের পরিবার সাংবাদিকদের পায়ে ধরে তার প্রান ভিক্ষা চায়।পরে সাংবাদিকদের দ্বারা প্রানভিক্ষা পেলে ও ৩০শে জুন২০১২ ডাকাতির মালসহ ২ টি মামলায় চালান করে পাঃ
থানা। ৮ই ফেব্রঃ২০১২ ডাকাতির আরো ঘটনার সাথে জড়িত থাকায় রেলওয়েতে চৌকিদার চাকুরীটি ও আর হয়নি। জেল থেকে বের হয়ে আবার ছিনতাই ও এলাকায় ডাকাতি আরম্ভ করে,কয়েক বার পাবলিক গনপিটুনি দিয়ে তুলে দেয়।বর্তমানে আকবরশাহ রেলওয়ে পাহাড় দখল করে সেখানে ঘর তুলে বিক্রি করে,এবং ডাকাতি শেষে সেখানে ভাগ করার তথ্য মেলে।
২০১৭সালে ২৪ফেব্রুয়ারী মোহনাটিভির সাবেক সিঃরির্পোটার,দৈনিক সংবাদ মোহনার ব্যুরো চিফ জাহাঙ্গীর আলম শুভকে সংবাদ সংগ্রহে গেলে ডাকাত সুমনের সহযোগীসহ তার উপর হামলা হয়।সাংবাদিকদের উপর হামলার বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টিতে আনা হলে তিনি তাৎক্ষণিক এই মাদক স্পটটির বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নিতে সিএমপি
কমিশনারকে নির্দেশ দিলে মাঠে নামে র্যব,ডিবি,সুমন গা ঢাকা দেয়
,ঘুরিয়ে দেওয়া হয় মাদক স্পট। কিছুদিন পর ওসি আলমগীর মাহমুদ সব ঠিক হয়ে গিয়েছে গোপনে আবারো মাদক বিক্রির পারমিশন দিলে ২০১৮সালের ৮ই মার্চ মাদকস্পট ক্যাপকলোনীতে আসামি ধরতে গেলে মাদক ব্যবসায়ীর হাতে এ,এস,এস,আই লুৎফর সহ ৩জনকে কুপিয়ে হ্যান্ডকাপ সহ পালিয়ে যায় মাদক ব্যবসায়ী নজরুল,শাহআলম,প্রমুখ।ফলে পুলিশের জন্য মাদক ব্যবসায়ীরা হুমকি হয়ে দাঁড়ায়।শুরু হয় ব্লক রেইড,মাদক স্পষ্ট বন্ধ
করার কাজ।পরবর্তীতে মাদক ব্যবসায় সহায়কারী হিসেবে ওসি আলমগীর মাহমুদের নাম চলে আসে।

মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে নিয়ে যুগ্ন-আহবায়ক কচির এমন সভা কি
মাদক ব্যবসায়ীদের মনোবল বেড়ে যাবে না? এমন প্রশ্নে ৯নং আওয়ামীলীগের আহবায়ক এইচ এম আলমগীর বলেনঃ তিনি যে সেখানে যাবেন আমি অবগত নই। আর তিনি এহেন কাজ না জানিয়ে করাই নীতি পরিপন্হী। এর দায়ভার সারয়ার মোর্শেদ কচির।

তবে নির্ভরযোগ্য সূএের দাবী ইত্যেমধ্য জসিম -আলমগীর।কচি -আলতাফ গ্রুপিং রাজনীতিতে জড়িয়ে পরেছেন। তাদের কথার ইংগিত সেটাই বলছে।আর এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ফায়দা নিবে মাদক কারবারিরা।

Comments

comments

Top