চট্টগ্রামে ১০ ছাএদল নেতার পূনর্বাসন।।বলি সেচ্ছাসেবক দল।আসছে ছাএদল কমিটি!

IMG_20180804_062751_164.jpg

জাহাঙ্গীর আলম(শুভ)ঃ২০১৩সাল ২২শে জুলাই গাজী-ভুলুকে সভাপতি সাধারন সম্পাদক করে ১১ জনের ছাএ দলের যে কমিটি হয়,বিগত ৫বছরে এই কমিটি ১১-১২ জনে উন্নতি করতে পারেনি,তবু সেচ্ছাসেবকদল,যুবদল ,বিএনপিতে ১১জন ছাএদল রত্নকে গুরুত্বপূর্ণ পদ দিয়ে পূনর্বাসন করে চট্টগ্রাম ও ঢাকার কেন্দ্রীয় নেতারা।হাজার ছাএদলকর্মীদের ঠিকানা বন্চিত করা,ঘরছাড়াও পথহারা করার জন্যদায়ী এই ১০ জনকে(১জন নিহত)পূনর্বাসন করতে সর্বশেষ সেচ্ছাসেবক দলে ৫জনকে নেতৃত্বে বসানো হয়। সাবেক, ছাএ নেতা,দলের ত্যাগীদের অবমূল্যায়ন,নানা কারনে চট্টগ্রামে বিএনপির রাজনীতিতে চাপাক্ষোভ বিরাজমান।যে কোন মূহুর্তে তা বিস্ফোরণে রুপ নিতে পারে বলে নির্ভর
যোগ্য সূএ থেকে জানা গেছে। চলতি সপ্তাহে ছাএদলের নতুন কমিটি ও যুবদলের পূনাংগকমিটি ঘোষণার সম্ভাবনা
এমন আভাষ দিয়েছে সিনিয়র নেতৃবৃন্দ।

১১জন ছাএনেতার ৫ জনের হাতে নেতৃত্ব দিতে বলিরপাঠা বানানো হলো চট্টগ্রাম মহানগর সেচ্ছাসেবক দলকে।শীর্ষ্যকে গুরু বানিয়ে,গুরুকে শীর্ষ্যের পিছনে রাজনীতির সবক দিয়ে ২৬শে জুলাই ছাএ দলের সাঃসম্পাদক পদের বেলায়েত হোসেন ভুলুকে সেচ্ছাসেবক দলের সাঃসম্পাদক
এবং সাংগঠনিক সম্পাদক পদে থাকা রাশেদ খানকে সভাপতি করে,সেচ্ছাসেবক দলের ৭ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষনা দেন কেন্দ্রীয় সভাপতি শফিউল বারী বাবু ও সম্পাদক আব্দুল কাদির জুয়েল।

ভুলুর নেতৃত্বে থাকা রাশেদ খানকে গুরুর আসনে বসিয়ে গুরুকে শীর্ষ্যের পিছনে রাজনীতি করার অপরিপক্ক কমিটি সমালোচনার ঝড় তুলে।এই উদ্ভট কমিটি সন্পর্কে মন্তব্য
জানতে কেন্দ্রীয় সেচ্ছাসেবকদলের নেতাদের সাথে যোগা যোগের অনেক চেষ্টা করেও মন্তব্য নেওয়া যায়নি।

১১জনের মধ্যে( ১জন নিহত) ১০ নেতা মহানগরবিএনপি কমিটিতেঃ গাজীসিরাজ,জসিম উদ্দিন।যুবদল কমিটিতেঃ-মোশারফ,ফজলুল হক।সেচ্ছাসেবক দলেঃ রাশেদ খাঁন বেলায়েত হোসেন ভুলু,জমির উদ্দিন,মতুর্জা,জিয়াউর রহমানসহ মোট ১০ জনকে পূনর্বাসন করা হয় পদপদবী
দিয়েই।সেচ্ছাসেবকদলের নতুন কমিটি”বিকাশ কমিটি”নামে পরিচিতি পায় নগরজুড়ে।ক্ষোভ বাড়তে থাকে তৃণমূলকর্মী ও বঞ্চিত নেতাদের।ঘোষিত কমিটিকে ফুলদিয়ে স্বাগত জানানোর কর্মীদের অভাব চোখে পড়ার মতো।উদ্ভট এই কমিটির বিষয়ে কেউ কোন মন্তব্য রাজী নয়।তবে এমন কমিটি নিয়ে বিব্রত চট্টগ্রামের সিনিয়র নেতারা। নির্ভরযোগ্য সূএের দাবী,এই কমিটি ইচ্ছে করেই উদ্ভটকরা হয়েছে,কারন ঝিমিয়ে পড়া রাজনীতি পদত্যাগ,রাগক্ষোভ ,পাল্টাপাল্টি শোডাউন,বঞ্চিতদের পাল্লা ভারী হলে রাজ পথে নামার চিন্তাকরে মাঠগরমের চেষ্টা করে,ঘরে ঢুকে পড়া কর্মীদের বের করা।ভুলু,জিয়ারা জুনিয়রের পিছনে রাজনীতিকে অপমানজনক মনে করে পদত্যাগ করে,রাস্তা অবরোধ করবে কর্মীবাহিনী নিয়ে,সেখানে নিলর্জভাবে পদের জন্য মেনে নিলে,অন্যরা হতাশ হয়ে মাঠ ছেড়ে চলে গেলে, মাঠগরমের পরিকল্পনা ভেস্তে যায়।

সেচ্ছাসেবক দলের সাবেক প্রচার সম্পাদক শরীফ হায়দার শিবলু বলেনঃ-ছাএদলের ত্যাগী কর্মীরা ঠিকানা না পেয়ে বন্চিত।শুধু তাই নয়,কমিটি গঠন নামে ছাএদলনেতাকর্মীর ৫শত টাকা করে(জনপ্রতি) ফর্ম বিক্রির প্রায় ৩ কোটি৭৫ লাখ টাকা ১০জন ছাএদল নেতা ভাগবাটোয়ারা করে নেয়
।সেই নেতাদের ৫ জন নেতৃত্বে এনে ছাএদলের পর এবার সেচ্ছাসেবক দল ধবংসের দিকে নিয়ে যাওয়া সময়ের ব্যাপার।

সাবেক মহানগর সেচ্ছাসেবক দলের সাধারন সম্পাদক এস,কে খোদা তোতন বলেনঃ-কমিটি নিয়ে আমি কোন মন্তব্য করতে রাজী নই।কেন্দ্র যা ভাল মনে করেছে তাই করেছে।তবে এই ব্যাপারে তার মতামত নেওয়া হয়নি বলে জানান।

Comments

comments

Top