চট্টগ্রামে সাংবাদিকের দাবীর সত্যতা মিললো।অনুমোদনহীন সার্জিকেয়ার হসপিটালকে ৫০হাজার টাকা জরিমানা।

Photo-Collage_20180714_035442386_1.jpg

চট্টগ্রাম অফিস:চট্টগ্রামে এক সাংবাদিকের অনড় অবস্হা নের কারনে ১২ই জুলাই,বৃহস্পতিবার সার্জিকেয়ার হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে অনুমোদন না নিয়েই কার্যক্রম পরিচালনার অপরাধে,পরিবেশ অধিদপ্তর শাস্তি স্বরুপ ঐ হসপিটালকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।
শর্ত সাপেক্ষে অনান্য দপ্তরের অনুমোদন কাগজপএ স্বল্প সময় বেঁধেদিয়ে নিদির্ষ্ট তারিখ জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সার্জিকেয়ার হসপিটাল কতৃপক্ষকে।এর সত্যতা নিশ্চিত করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর কতৃপক্ষ।

নগরীর আকবরশাহ থানাধীন পান্জাবী লেইন গালর্সস্কুল মার্কেটে গত ৩০শে ডিসেম্বর২০১৭ইং সার্জি কেয়ার হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ের নীতিমালা বা অনুমোদনের তোয়াক্কা না করেই। যদিও উদ্বোধন করার ৬মাস পূর্বেই
হসপিটালের কার্যক্রম চলমান ছিল বলে রোগীর ভর্তি কাগজ পএে সত্যতা মিলে।হসপিটালের এমডি ডাঃ খাজা হোসেন কাওসার রিপন ,চেয়ারম্যান তার স্ত্রী ডাঃশিরীনাজ বেগম,এতদিন অনুমোদন নেয়া আছে মর্মে রোগী শেয়ার হোল্ডারদেরসাথে মিথ্যা প্রতারণার আশ্রয়নিয়ে,ব্যবসায়িক ফায়দা লুটছিলো।কিছুদিন পূর্বে রোগীর সাথে অশোভন আচরনের কারনে স্হানীয় একছাএ নেতার ধোলাইয়ের স্বীকার হন এই প্রতিষ্ঠানের এমডি ডাঃ খাজা হোসেন কাওসার রিপন।

জানা যায়,আকবরশাহ আবাসিক এলাকায় বসবাসরত মোহনা টিভির সাবেক সিনিয়র রিপোর্টার,দৈনিক সংবাদ মোহনার ব্যুরো প্রধান জনাব জাহাংগীর আলম শুভর মায়ের ভুলচিকিৎসা চালিয়েছিলেন এই ক্লিনিকের ডাঃ খাজা হোসেন কাওসার রিপন।শুধু তাই নয়,অনভিজ্ঞ এবং ডিপ্লোমা নেই,এমন নার্স মাকে ইনজেকশন দিতে গেলে অজ্ঞতার বিষয়টি ধরে ফেলেন তিনি।এ বিষয়ে তিনি কতৃপক্ষকে অবহিত করলে,নার্সের প্রতি বিশেষ দূর্বলতায়।উল্টো সাং বাদিক মাতাকে সংকটাপন্য রোগী দেখিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালআইসিইউতে রেফার করেন এমডি পদে থাকা হোসেন কাওসার রিপন।সার্জিকেয়ার থেকে তার মাকে অন্য বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের শরণাপন্ন হলে ধরা পরে ভুল চিকিৎসা দেওয়ার বিষয়টি। পূর্ব পরিচয় ও অন্যদের পরামর্শে চেপে যান তখন।

সাংবাদিক কন্যা শিশু রাইফা ভুল চিকিৎসায় নিহত হলে
জাহাংগীর আলম শুভ ডিপ্লোমাহীন নার্স নিয়ে সামাজিক
মাধ্যমে একটি স্টেটাস দিলে,ডাঃ রিপন তার শ্যালক, হাসপাতালের কর্মচারী দিয়ে সাংবাদিকের মায়ের চিকিৎসা এবং বিল বকেয়ার অপপ্রচার চালানোর চেষ্টা করে।তিনি বিল পরিশোধের রশীদসহ চেলেন্জ করলে দমে যায় তারা ।তিনি জানতে পারেন,এই হসপিটাল চলছে অনুমোদন ছাড়াই।পরিবেশ অধিদপ্তরে গিয়ে অনুসন্ধানে বের হয় প্রকৃত সত্য।

অনুমোদনহীন হসপিটাল নিয়ে থলের বিড়াল বেরোনোর আশংকায়,আন্দোলনকারী ডাক্তারের সহানুভূতি পেতে হস পিটালের ৪জন স্টাফ দিয়ে,রাইফা নিহত হওয়ার অভি যোগে অভিযুক্ত ডাক্তারের পক্ষে মানববন্ধন করার জন্য দাড়ানোর ২ মিনিটে লাপাওা হয়ে যায় সাংবাদিক আসার সংবাদে।

সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম শুভ নিহত রাইফার মৃত্যুকে
ব্যবসার ঢাল বানানোর চেষ্টা ও তার মায়ের ভুল চিকিৎসা
প্রদানকারী অনুমোদনহীন হসপিটালটির বিরুদ্ধে অবস্হান নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেন গনমাধ্যমে। প্রশাসন কে দ্রুত ব্যবস্হা গ্রহন করতে অনুরোধ জানিয়ে,তার প্রতি বেদনের সত্যতা যাচাই করতে স্হানীয় সাংবাদিক সাথে নিয়ে তার দাবীর স্বপক্ষে অনড় থাকলে,টনকনড়ে কতৃপক্ষের।

পরিবেশ অধিদপ্তর দ্রুত ব্যবস্হা গ্রহন করতে পরিচালক
নোটিশ প্রদান করে উক্ত হসপিটাল কতৃপক্ষকে।১২ইজুলাই স্বশরীরে হাজির হতে নির্দেশ দেন।তারা হাজির হয়ে কোন প্রকার অনুমতিপএ দেখাতে ব্যর্থ হলে সার্জিকেয়ার হসপি টালকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে পরিবেশ পরিচালক।

৮ জুলাই নোটিশ পাওয়ার পর থেকে সাংবাদিকের মুখ বন্ধ করতে এবং লিখা বন্ধ করতে নামধারী সন্ত্রাসী দিয়ে মোবাইলে প্রানে মারার হুমকিসহ নানা অপপ্রচার চালিয়ে
শেষ পযন্ত নিজের অবস্থান থেকে সরাতে পারেনি ।উক্ত সাংবাদিককে চাঁদাবাজ বানাতে চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয় ডাঃ রিপন ও কর্থিত সেই ছাএনেতা।

এমইএস কলেজের সাবেক ভিপি ওয়াসিমের নাম বিক্রি করে এতদিন মানুষকভয়ভীতি দেখাতো এই কর্থিত ডাঃ রিপন।ওয়াসিমকে ভাগিনা পরিচয় দিয়ে অনৈতিক কাজ
করতে সুবিধা হতো।এ বিষয়ে ওয়াসিমকে ফোন করা হলে তিনি অবাক হয়ে বলেনঃ ডাঃ রিপন কোন জনমেরমামা?তাকে গিয়ে ্ধরেন।সে আমার ছোট ভাইয়ের পরিচিত ডাক্তার।আমার পরিবারের অসুখ হলে তাকে কল দেই ,ভিজিট নেয়।

অ্যাক্রিডিটেশন কার্ডধারী,তথ্যমন্ত্রনালয়ের গাইডে যার নাম ,সংসদে নিউজবীট করা সাংবাদিক সম্পর্কে নূন্যওম শিক্ষা যার আছে সে কিভাবে তর্কে আসে?তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালায়, এমন মন্তব্য করেছেন সিনিয়র সাংবাদিক আতিকুজ্জামান

জাহাংগীর আলম শুভ বলেনঃ-ঐ কর্থিত নেতাকে বলেছি ,দয়াকরে চাঁদা চাইছি বলে দাবী করা ব্যক্তিটি নিয়ে প্লিজ থানায় গেলে খুশি হবো। যদিবলেন,গাড়ীভাড়া আমি দিবো,আপনি তাকে সহযোগিতা করা আপনার নৈতিক কাজ। চট্টগ্রামের আলোচিত ডাঃরিপন,তার কর্ম কান্ডে তিনি সবার পরিচিত।
তবে এই হসপিটালের বিরুদ্ধে আমার অবস্থান সত্যিছিলো
তা প্রমান হলো।তবে আমি পিছু ছাড়বো না,লেগে আছি।

Comments

comments

Top