চট্রগ্রামে রাইফার মৃত্যুতে অভিযুক্ত ডাক্তারের পক্ষে একটি ক্লিনিকের ৪জন নিয়ে মানববন্ধন! ২ মিনিটে লাপাওা।

Photo-Collage_20180707_161738976.jpg

চট্টগ্রাম অফিস::৬ই জুলাই চট্টগ্রামে এক সাংবাদিক মাতার ভুল চিকিৎসার অপরাধ ধামাচাপা দিতে,তরিঘড়ি করে চট্টগ্রামে ম্যাক্স হাসপাতালে নিহত সাংবাদিক কন্যা শিশু রাইফা নিহত হওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত ডাক্তার ফয়সাল ইকবাল চৌধুরীর পক্ষে অনুমোদনহীন একটি ক্লিনিকের ৪জন কর্মচারী দিয়ে উদ্ভট মানববন্ধন হাসির জন্মদিয়েছে চট্টগ্রামে। ৪জনের এই বিশাল মানববন্ধন ২মিনিটে হাওয়া। এই আজগুবি মানববন্ধনের উদ্দেশ্য ছিল ভিন্ন।আকবরশাহ থানাধীন পান্জাবীলেইন গালর্স স্কুল মার্কেটে সার্জিকেয়ার হসপিটাল নামক একটি ক্লিনিকের
এমডির খায়েসে ৪জন কর্মচারী ব্যানার ধরে একটি ছবি তুলেই হাওয়া।
দাড়ানোর ২ মিনিটের মাথায়,স্হানীয় সাংবাদিকরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসার সংবাদ এই হাওয়া হওয়ার কারন বলে জানান স্হানীয় ব্যবসায়ীরা।
একটি নির্ভরযোগ্য সূএে জানা যায়,অনুমোদনহীন এই ক্লিনিকের এমডি ডা: খাজা হোসেন কাওসার রিপনের নেতৃত্বে হসপিটালের কর্মচারী জাহিদ হোসেনসহ ৪জন ব্যানার ধরে একটি ছবি তোলা মাএ,মানববন্ধন শেষ।

হাসপাতালে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ব্লাডটেস্ট করতে আসা ফিরোজশাহ কলোনীর মোসলেহ উদ্দিন (৪০)বলেন:-বুঝলাম না,ব্যানার নিয়ে কেন দাঁড়ালো,আবার কেনই বা দৌড়ে পালালো। এ ব্যাপারে দৈনিক ডেসটিনি চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান নুরউদ্দিন সাগর বলেন:-মোহনা টিভির সাবেক সিনিয়র রির্পোটার,দৈনিক সংবাদ মোহনা ব্যুরো চিফ জাহাংগীর আলম শুভর মায়ের ভুল চিকিৎসা সেবা দিয়েছিল এই হঠাৎ গজানো ক্লিনিক থেকে। প্রায় মরার হাত থেকে বাঁচিয়েছেন তার মাকে।তিনি বুঝতে পেরে দ্রুত সার্জিকেয়ার থেকে অন্য ক্লিনিকে নিলে সেখানকার অভিজ্ঞ ডাক্তাররা রোগ নির্ণয়ে সাবেক ডাক্তারের ভুল ছিল বলে মতদেন।সার্জিকেয়ার হসপিটালের ডা::রিপন একপর্যায় সাংবাদিক মাতার সময় নেই বলে মনোবল শক্ত রাখার কথা বলেন।দীর্ঘ দিনের সম্পক ছিলো ২জনের মধ্যে।ডা:রিপনের সেইবাণী ১বছরের অধীক সময়পার হলে ও এখনো জীবিত তার মা।তিনি ঘটনাটি চেপে যান। শিশু রাইফার মৃত্যুর পর তিনি ফেসবুকে কোন প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ না করে,এক নার্সের কোন ডিপ্লোমা ছাড়াই কর্তব্যপালনের ছবি ফেসবুকে আপলোড দেন।এতে ডাক্তার রিপন খেপে গিয়ে তার শালা,হসপিটালের কর্মচারী,তার অনুসারী দিয়ে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অশালীন কথা রটাতে আরম্ভ করে যোগাযোগ মাধ্যমে।মিথ্যা তথ্য দিয়ে সম্মান হানি করার চেষ্টা করে।কৃত অপরাধ ঢাকতে কৌশলে শিশু রাইফার নিহত হওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত ডাক্তারের পক্ষে মানববন্ধন পালনের চেষ্টা করে তার সহানুভূতি আদায়ের জন্য। রাইফার মুত্যুকে ব্যবসায়ী মনোবৃত্তির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টাকরা মাএ আমি,সাংবাদিক জাহাংগীর আলম শুভ,সাংবাদিক শামীম সহ অন্য সাংবাদিকরা দ্রুত মানববন্ধনকারীদের প্রতিহত করতে ছুটে যাই।হয়তো সংবাদটি তারা যায়।

এ ব্যাপারে সাংবাদিক জাহাংগীর আলম শুভবলেন,আমার মাকে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে এনেছি।তবু ও তাকে কিছু বলিনি পরিবারের সাথে সুসম্পর্ক ছিলো বলে। সব জেনে চুপ ছিলাম। এই নার্স (ছবিতে) আমার মাকে ইনজেকশন দিতে ৩ বার চেষ্টা করে পারেনি। আমার বৃদ্ধ মাকে শারীরিক কষ্টদানের বিষয়টি নজরে আসে আমার। অনভিজ্ঞ নার্সের ইনজেকশন ধরার কৌশল দেখে হাতে নাতে ধরে ফেলি।সে সবার সামনে স্বীকার করে সে নতুন শিখছে।বিষয়টি ডা:রিপনকে অবহিত করলে সে কোন ব্যবস্থা গ্রহনতো করেনি,উল্টো আমার মা নিয়ে নাটক তৈরী করে।এই নার্সকে রক্ষাকরতে আমাকে মায়ের মৃত্যু আসন্ন ভীতি তৈরী করে জোড় পূর্বক সিএমসিএইচ আইসিইউতে জরুরী ভর্তি করতে বলেন।।আমি বহু কষ্টে তদবীর করে মেডিকেলে আইসিইউর ব্যবস্থা করি।সার্জিকেয়ার থেকে মেডিকেলে নেওয়ার পূর্বে আমার সন্দেহ হয়,আমি মেডিকেলের প্রফেসরের সাথে দেখা করলে,তিনি আমায় প্রশ্ন করেন,আমার মার স্বাস চলছে কিনা? আমি বললাম,আম্মা একটু হাটতে পারে,নিজ হাতে নরম খাবার খান। প্রফেসর অবাক হয়ে আমার মুখের দিকে তাকিয়ে আছে। অবিশ্বাস্য। হয়তো বিশ্বাস করতে ডাক্তারকে ফোন দিতে বলেন।তিনি কথা শেষ করে আমাকে নিয়ে পুরো আইসিইউ দেখিয়ে শেষ বললেন:-আপনার আম্মাকে আজই বাসায় নিয়ে গোসল করিয়ে ভাত খাওয়ান।অন্য ডাক্তার দেখান।

এই নার্স মেয়েটিকে সেফ করতে আমার মায়ের সাথে নির্মম আচরণ করতে একটু বাধেনি ভুল চিকিৎসা দেওয়া ডা:রিপনের।তার স্ত্রী ডা:শিরীনাজ বেগমকে দিয়ে আমাকে
মায়ের অবস্হা খারাপ তাকে জরুরী আইসিইউতে নিয়ে যেতে বুঝাতে ব্যবহার করে এই রিপন।কিন্তু এতকিছু রিপন কোন স্বার্থে করলো? পরে সবই ক্লিয়ার হলো।

আমার মা আজো বেঁচে আছে,ভাগ্য খারাপ ভেবে চুপ থেকেছি। শিশু রাইফা নেই।রাইফার মৃত্যু নিয়ে তামাশা
মেনে নিতে পারিনি।এত কসাই হয় কোন ডাক্তার? স্বীয়স্বার্থে নিহত শিশু রাইফাকে হাতিয়ার বানাবে?
আবারো সেই অনভিজ্ঞ নার্সকে ডা:রিপনের হাসপাতালে বহাল তবিয়তে চাকুরী করতে দেখে অবাক হলাম,শিশু রাইফার মুখ ভেসে উঠলো।কোন প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার না করে,ফেসবুকে লিখলাম। ফেসবুকে।ডা: রিপন তার পাপ ঢাকতে যোগাযোগ মাধ্যমে তার শালা এবং স্টাফ দিয়ে সুনাম নষ্টকরার চেষ্টা করে।
মায়ের ভুল চিকিৎসা,আমার আর্থিক ক্ষতি,মায়ের জীবন হানির আশংকা,চেয়ারম্যান,এমডি তথা সার্জিকেয়ার হসপিটালের পরিচালনার বৈধতা,মিথ্যাচার করে আমার সুনামনষ্টের চেষ্টা ইত্যাদি বিষয়ে আইনজীবী ও স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়সহ অনেকের সাথে আজ পরামর্শ নিয়েছি।আগামীকাল সিদ্ধান্ত জানতে পারবেন।এই হাস্যকর মানববন্ধন করতে বাধ্যকরা ক্লিনিকটির এমডি ডা:হোসেন কাওসার রিপনের বক্তব্য জানতে ফোন করা হলে ও তিনি ধরেননি।

অনুমোদনহীন এই হাসপাতালের অনৈতিক কর্মকান্ড বন্ধে
সরকার ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থা,স্হানীয় জনপ্রতিনিধি
সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানান ৯নং ওর্যাডের সর্বস্তরের জনসাধারণ।

Comments

comments

Top