আকবরশাহ এলাকায় চাঁদা চাইতে গিয়ে পুলিশ সোর্সকে গনধোলাই।

IMG_20180609_172924_692.jpg

চট্টগ্রাম অফিস:-চট্রগ্রামে আকবরশাহ থানাধীন পান্জাবী লেইন এলাকায় কালীবাড়ি মোড়ে,হিন্দুদের গুরুদুয়ারা শিখ টেম্পল এস্টেটে ১০লক্ষ টাকা চাঁদাদাবী করতে গিয়ে আজিজুল্লাহ আজাদ প্র:সোর্স আজাদ পিতা: ওয়াহিদুর রহমান গনধোলাইয়ের শিকার হয়।পরে পুলিশ এসে তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করে ছেড়ে দেয়।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে গুরুদুয়ারা শিখাশ্রমের দেখ ভালকারী জহির হোসেন টাইমস বিডিনিউজকে বলেন:- গত ৭ই জুন আজাদ এসে আশ্রমের চাবী চায়,এই নিয়ে আজাদের সাথে কথা কাটাকাটি হয়।এক পর্যায় আজাদ দায়িত্বরত জহিরের পরিবারকে ঘর থেকে বের হলে১০লক্ষ টাকা চাঁদা রেডি করে তারপর রাস্তায় নামতে বলে হুমকি দেয়।জহির গত ৭ই জুন আকবরশাহ থানায় মামলাকরতে গেলে থানা মামলা না নিয়ে অভিযোগ হিসেবে লিপিবদ্ধ করে।

গতকাল ৯ই জুন,রাত ৮টার দিকে বাদী পক্ষের আত্বীয় বাবু,এবং সুজন নামের ২ ব্যক্তিকে মার ধর করে আজাদ ও সাথে থাকা কতিপয় ব্যক্তি।সংবাদ পেয়ে আশ্রমের লোকজন বের হয়ে তাদের ধাওয়া করে থানার সোর্স আজাদকে ধরে ফেলে গনধোলাই দেয়। পরে সংবাদ পেয়ে আকবর শাহ থানা পুলিশ আজাদকে উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেয়।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আকবরশাহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন বলেন:- প্রাথমিক ভাবে এইঘটনা জহির এবং আজাদের ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব বলেই মনে হচ্ছে। তবু ও আমরা ঘটনা আসলে কি তা জানার চেষ্টা করছি। তবে ২ পক্ষের কাউকে গ্রেফতার এবং মামলা গ্রহন না করার কথা স্বীকার করেন তিনি। আজাদ পুলিশের সোর্স, এই কারনেই কি মামলা গ্রহন করা হয়নি? এমন প্রশ্নে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন:- আজাদ সোর্স কিনা তা আমি এখনো নিশ্চিত নই,কারন আমি নতুন এসেছি,তবে বিষয়টি আমি গুরুত দিয়ে দেখছি।

একটি নির্ভরযোগ্য সূএ থেকে জানা যায়,মাদক সংক্রান্ত লেনদেন নিয়ে তাদের মাঝে পূর্বশত্রুতা থাকায় তারই বহি প্রকাশ এই ঘটনা।

তবে এলাকাবাসীর দাবী আজাদ সোর্সের আড়ালেমাদকের একটি সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করতো,প্রতিদিন আকবরশাহ থানার পুলিশের সাথে থেকে সে নিরীহ মানুষদের হয়রানী করে টাকা আদায় করতো। আজাদ যে পুলিশেরসোর্স তা স্বীকার করে জহিরের অভিযোগ তদন্তকারী কর্মকর্তা।

এলাকাবাসীর অভিযোগ আজাদের সোর্সের আড়ালে পরিচালিত অর্নৈতিক কাজের দরুন,পুলিশের অনেকভাল কাজ প্রশ্নবিদ্ধ।

বিহারী কলোনীর নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক মাদক ব্যবসায়ী টাইমস বিডি নিউজকে বলেন:আজাদ আমাদের কাছে পুলিশের ধরা ইয়াবা বলে প্রচুর ইয়াবা বিক্রয় করেছে,আবার প্রতি দিন তাকে ১-২ হাজার টাকা দিতে হতো ব্যবসা নিবিগ্নে চালানোর জন্য।তানা হলে সে পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে দিয়ে আবার সে নিজেই মোটা অন্কের টাকার বিনিময়ে ছাড়িয়ে নিতো।কোন কাজকর্ম না করে কিভাবে সে আলিশান জীবন যাপন করে সেটাই বড় প্রশ্ন।
এই ব্যাপারে গনধোলাইয়ের স্বীকার হওয়া আজাদের মুঠো ফোনে কল করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

Comments

comments

Top