ফেনী ২ আসনে বিএনপির শক্ত অবস্হান। কারিশমা গাজী মানিক।আ:লীগ দ্বন্দ্বে শেষ!

28337069_1843342232624773_8725154080190252611_o-316x350.jpg

(১ম পর্ব)

জাহাংগীর আলম (শুভ)
ফেনীর রাজনীতি আওয়ামীলীগের জন্য জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে। হযবরল অবস্থা বিদ্যমান আ:লীগ শিবিরে। বিএনপি যেখানে মিছিল করতে সাহস পেতোনা, আজ সেখানে গগন বিদারী চিৎকার দিয়ে বিএনপি পন্থীরা মিছিল করে। এমন কথার সত্যতা যাচাই করতে,সাধারন মানুষের মনে কি ধারনা,আলাপচারিতায় তাদেরই তথ্যের ভিওিতে ধারনা দিতে প্রতিবেদনটি পাঠকের জন্য তুলে ধরা হলো। বিএনপির ঘুরে দাঁড়ানোর পিছনে কি এমন কারন থাকতে পারে?
কারন খুজতে গিয়ে জানা যায়। ফেনী জেলা যুবদল সভা পতি গাজী হাবিব উল্লাহ মানিকের মোক্ষম সময়ে অনা কাঙ্ক্ষিত কারামুক্তি। আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক নাজুক অবস্থাকে আরো নড়বড়ে করে দিতে ও ট্রেকের বাইরে থাকা বিএনপির রাজনীতিকে আবারো ট্রেকে টেনে তুলতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। ফেনীতে খালেদাজিয়ার গাড়ী বহরে হামলা অতঃপর উল্টো বিএনপির নেতাকর্মীদেরনামে মামলা দিয়ে ঘরছাড়া করে ক্ষমতাশীন দল আ:লীগ।ফলে মনোবল হারানো ছাএদল,যুবদল,বিএনপি হাজার মাঠকর্মী ও তৃনমূল সমর্থকরা কেউ ফেনী ত্যাগ,কেউ লুকিয়ে,গা ঢাকা দিয়ে চলছিল। এমতাবস্থায় তাদের আবার সংগঠিত ও মাঠে ফিরিয়ে আনতে,গাজী হাবিব উল্লাহ মানিকের কারামুক্তি নেয়ামক ভূমিকা পালন করে।এমনটিই মনে করেন সাধারন মানুষ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।অপর দিকে ভিপি জয়নাল,রেহানা আক্তার রানু আগামী নির্বাচন
সামনে রেখে মনোনয়ন প্রত্যাশা ছাড়া কার্যত মাঠ নেই।

গাজী মানিক এখন ফেনীতে বিএনপির কান্ডারী ভূমিকায় অবতীর্ণ রয়েছেন। পাশে রয়েছেন বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ যুবদলের সাধারন সম্পাদক আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী।
তবে একটি নির্ভরযোগ্য সূএে প্রকাশ:-বেগম খালেদাজিয়া চরম ক্ষুব্দ তার উপর। হয়তো পাটোয়ারী রাজনীতির ইতি টানা সময়ের ব্যাপার ছিল। কারন হিসেবে সূএটি বলছে গাজী মানিকের সাথে কোন্দলে তিনি নিজাম হাজারী এমপির সাথে গোপন আতাত করেন।তার অনুসারীঅংশকে নিষ্ক্রিয় করে রাখেন। সভাপতি গ্রেফতারে,তিনি সাংগঠনিক ভাবে নীরব ছিলেন। নীরবতায় কি গুজবের ডালপালা বিস্তার? নাকি আসলেই সত্য? জানতে সা: সম্পাদকের মুঠো ফোনে করলে তিনি ধরেননি।তবে যুবদলের সভাপতি গাজী মানিক বিষয়টি অস্বীকার করেন।তিনি বলেন:-ভাইয়ে ভাইয়ে একটু মান অভিমান হয়। ভুল দুজনার থাকতে পারে।আমি শুনেছি,বিশ্বাস করিনি। আর এগুলো মনে রাখিনি,এখন দলের বিপদে কর্মীদের স্বার্থে সবাই এক।
দীর্ঘ ১৬ মাস কারাভোগ। ৭ বার কারাফটক থেকে আটক প্রায় ৪০টি মামলার দিয়ে কারাগারে আটকে রাখার চেষ্টাই
কি গাজী মানিককে সীমাহীন জনপ্রিয়তা পাইয়ে দেয়?
খালেদাজিয়া সহানুভূতি,তাঁর গাড়ীবহরে হামলাসহ নানা কারনে গাজী মানিকের ফেনী ২ আসনে ২০১৯ সালে জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির টিকেট প্রায় নিশ্চিত বলাচলে ।তাছাড়া বিএনপির স্হায়ী কমিটির এক প্রভাবশালী নেতা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন:-ফেনীর আসন গুলোতে কোন নেতা কারোপক্ষে তদবির না করতে বলেছেন।সেক্ষে
তিনিই সব।নেএী আমার সাথে আলাপে বুঝেছি, গাজী মানিক ১ম স্হানে আছেন। নেএীর আদেশ আছে বলেই তিনি তারনাম প্রকাশে বিধিনিষেধ আরোপ করেন। গাজী মানিক ছাড়া তেমন কোন যোগ্যপ্রাথী দেখছেন না রাজ নৈতিক বোদ্ধারা।২০১৭ সালের ৮ জানু:এসএসকে:রোড থেকে গ্রেফতার হয়ে ২০১৮ সালের ২৩শে এপ্রিল মুক্তি পান গাজী মানিক

তাকে প্রশ্ন করা হয়:- নেএী আপনাকে নির্বাচনের টিকেট দিলে কেমন লাগবে?
উ;-হেসে দিয়ে বলেন:-টিকেটের সাথে খরচ যদি নেএী দেন,তাহলে আছি।কারন জেল আর মামলা চালাতে গিয়ে জমি বিক্রি করেছি। দলীয় কর্মীদের জামিন করাতে টাকা দিতে হয়,এত খরচের মাঝে নির্বাচনী ব্যয়? টিকেট দিলে খরচ ও নেএী দিবেন।
প্র:- প্রতিপক্ষ আ: লীগ.প্রার্থী কে হলে ভাল হয়?
উ:-অবশ্যই সিনিয়র লিডার জয়নাল হাজারী।না হয় নিজাম হাজারী। ২ গুনী ব্যক্তি ৩ বার এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। জয়নাল হাজারী ও ভিপি জয়নাল। আ:লীগ ও বিএনপি। তারা মনে হয় না আর সে পথে যাবেন।তারা অনেক উচু পদপ্রাপ্য। মানে মন্ত্রী।।বাকি জন নিজাম হাজারী। আমি বলার আগেই জনগন রায় দিয়ে দিবে। কারনটা আমি বলবো না। জনগণের কাছেই থাক।
প্রশ্ন:-আরো ২ জনের নাম প্রতিপক্ষের তালিকায়।ইকবাল সোবহান চৌ:ও আযহারুল হক আরজু। কি করবেন? উ:-একজনকে অবশ্যই আমি মাথায় রেখে সাবধানে এগুবো। নামটি কি বলবেন? উ:- হেসে দিয়ে বুঝে নিন।
(আগামীকাল আওয়ামীলীগ ও দ্বন্দ্ব নির্ভর রাজনীতি নিয়ে প্রতিবেদন থাকবে।চোখ রাখুন)

Comments

comments

Top