প্রেমের কারনে বলি হলেন চাঁন মিয়া।গ্রেফতার ১

Premer-2.jpg

প্রতিবেশী কলেজছাত্র মো. চাঁন মিয়ার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে পরীর (ছদ্মনাম)। দু’জনের এই সম্পর্ক তিন বছরের। কিন্তু তাদের এই সম্পর্ক মেনে নিতে পারেনি পরীর পরিবার। শেষ পর্যন্ত নিজের বাড়িতে কলেজছাত্রী পরীকে দেখতে হলো প্রেমিকের লাশ।

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে শুক্রবার দিবাগত রাতে মর্মান্তিক এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, শুক্রবার রাতে পরীর পরিবারের লোকজন জরুরি কথা আছে বলে চাঁন মিয়াকে পরীদের বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়। বাড়িতে ঢুকতেই তারা চাঁন মিয়াকে মারধর শুরু করে।

পরিবারের লোকজনের হাত থেকে চাঁন মিয়াকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন পরী। কিন্তু পরীর বাবা-মা হাত বেঁধে তাকে অন্য ঘরে বেঁধে রাখেন। আর এসময় চাঁন মিয়াকে মারধর চলতে থাকে।

একপর্যায়ে পরী অনেক কষ্টে তার হাতের বাঁধন খুলে চাঁন মিয়ার পরিবারকে খবর দেন। খবর পেয়ে চাঁন মিয়ার পরিবার এসে দেখে তার নিথর দেহ পরীদের ঘরের মেঝেতে পড়ে আছে।

প্রেমিকা পরী ও পরিবারের লোকজন রাত দেড়টার দিকে চাঁন মিয়ার লাশ ঝিনাইগাতী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চাঁন মিয়ার মৃতদেহ জড়িয়ে ধরে রাতভর বিলাপ করেন পরী।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনার মূলহোতা পরীর ভাই রিয়াজুল ইসলাম হৃদয়কে আটক করে।

শনিবার বিকেলে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিহতের বাবা আছমত আলী বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

ঝিনাইগাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিপ্লব কুমার বিশ্বাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

Comments

comments

Top