ফেনীর মাষ্টারপাড়া এলাকায় মাদক সম্রাট জনি। সাজা নিয়ে ও ঘুরছে প্রকাশ্যে!(১ম পর্ব)

received_1425106507601059-1.jpeg

জাহাংগীর আলম শুভ:-
ফেনী জেলার মাস্টারপাড়াএলাকার জনি। পুরো নাম তহিদুল ইসলাম জনি,পিতা রন্টুমিয়া,বেলাল কমিশনারের বাড়ী,মুন্সিপুকুর মাস্টার পাড়া। তাকে একটি মামলায় ৬ মাসের সাজা দেওয়া হলে ও সে ঘুরছে প্রকাশ্যে! কারন সে ফেনীর নিজাম হাজারী এমপির কাছের লোক। শুধু তাই নয় নিজাম হাজারী এমপির ডানহাত খ্যাত, ফেনী জেলার কুখ্যাত সন্ত্রাসী,ফেনীর একরাম হত্যা মামলার অন্যওম আসামী জিয়াউল আলম মিষ্টার জনির গুরু।মিস্টারের ডানহাত এই মাদক সম্রাট জনি। সম্পর্কে তারা দূরসম্পর্কের চাচা ভাতিজা। চাচা আর ভাতিজার উপর ছায়া হয়ে আছেন স্হানীয় এমপি নিজাম হাজারী।নিজাম হাজারী এমপির আর্শীবাদ মিষ্টারের উপর আছে বলেই কুখ্যাত সন্ত্রাসীর তকমা মিস্টারের গায়ে লাগাতে দেরী হয়নি।নিজাম হাজারীর প্রধান ক্যাডার মিষ্টারকে একরাম হত্যা মামলায় রায় ঘোষনা হবে বলেই,রায়ের পূর্বে তাকে আটকে রাখে আদালত। মিস্টারের অবর্তমানে তার সবকাজ চালিয়ে নিচ্ছে এই মাদক সম্রাট জনি। মিস্টারের
ডানহাত সে,ফলে মাদক ব্যবসা,কমিশন আদায়, অস্র ভান্ডার সামলানোর দায়িত্ব এই তোহিদুল ইসলাম জনির।

এক সময়ে খেতে না পারা জনি, এখন ২তল ভবনের মালিক।এই জনির বিরুদ্ধে পূর্বে অস্র, মাদক,ডাকাতি,সহ ৫টি মামলা রয়েছে।ফেনীর পাইকারী মাদক বিক্রেতা ল্যাংড়া সবুজকে সাথে নিয়ে পুরো ফেনী জেলার মাদক সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করে,খোদ ফেনী মডেল থানার সামনে প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি হয়,চুপ সেখানকার আইন প্রয়োগ কারী সংস্থা। ৬ মাসের সাজা নিয়ে কিভাবে পুলিশের সামনে প্রকাশ্যে ঘুরছে জনি? সে প্রশ্ন অনেকের। জনি নিজেকে ফেনী থানা যুবলীগ সভাপতি দাবী করলে ও মূলত ৫/৬ ক্লাস পযন্ত লেখা পড়া করে বন্ধ। অপর ভাই পারভেজ,সে ও মাদক ব্যবসায়ী। ফেনীতে তার ও রয়েছে মাদক স্পট।জনি ও তার অপর ভাই পারভেজের রামরাজত্ব ফেনী শহরে।তাদের বর্স মিস্টার,আশীর্বাদ নিজাম হাজারীর।কে আটকায়??!!

একটি নির্ভরযোগ্য সূএ বলছে :-জয়নাল হাজারী এবং বর্তমানে ফেনীর সম্ভাব্য এমপি প্রাথী ইকবাল সোবহান চৌধুরীর অনুসারীদের,প্রতিপক্ষকে শায়েস্তা করার জন্য প্রচুর দেশী বিদেশী অস্র মওজুদ করে নিজাম হাজারী অনুসারী মিস্টার বাহিনী,আর সেই অস্রের অর্ধেক অংশ জনি এবং তার দুলাভাই শর্শদীর শফিক পাটয়ারীর কাছে মওজুদ রয়েছে।বলা চলে মিষ্টারের পরেই এই কুখ্যাত সন্ত্রাসী জনির অবস্হান। তার নেতৃত্ব চলে নারী ধর্ষন ,ব্যবসায়ীদের এনে ব্লাকমেইল করার কাজ।ব্লাকমেইল করার জন্য পুতুল নামীয় এক পতিতার মাধ্যমে গড়ে তুলে ব্লাকমেইলিং সিন্ডিকেট ব্যবসা।যার আশ্রয় পশ্রয়ে শক্তিশালী সিন্ডিকেট, তিনি হলেন স্নানীয় এমপি নিজাম হাজারী।নিজাম হাজারীর নাম প্রকাশ করে জনি নিজেই (গোপন কথা গুলোর রেকডিং সংরক্ষণ করা আছে)
আর্শীবাদে নিরাপদ ও বেপরোয়া এই মিস্টার জনি গং। এই জনির ব্যাপারে ফেনী রাব-৭র কাছে,তেমন তথ্য নেই বলে জানালেন দায়িত্বে থাকা স্কোয়াড্রন লিডার শাফায়াত জামিল ফাহিম।তবে তিনি বিষয়টির ব্যাপারে খোজ নিবেন বলে জানান।
বাকী অংশ আগামীকাল প্রকাশ করা হবে।
(নারী ধর্ষন,পতিতা ব্যবসা,পুতুলের পরিচয়,সিন্ডিকেটে আর কারা জড়িত,২য় পর্বে প্রকাশিত হবে)

Comments

comments

Top