আজ রবি বার “বন্ধুত্ব দিবস” রম্য প্যাঁচাল

FB_IMG_15020021426410348.jpg

জাহাংগীর শুভ ::বন্ধুদের নানা গান প্রচলিত আছে।কবিতা, নাটক,সিনেমা,গল্প, উপন্যাস,কোথায় নেই এই
একটি নাম। সব কিছুই আছে,তাই বলে কি এর একটি বিশেষ দিন থাকবেনা? এটা কি হয়।
বন্ধু, এমন এক পরম আত্নার আত্মীয়,যে কিনা মুখ দেখে বলে দিতে পারে অন্য বন্ধুর মনের কথা। এখন হয়তো চায়না মোবাইলের মত চায়না বন্ধুর সংখ্যাই বেশী।
আমার মতে ” যার অনেক বন্ধু,আসলে তার কোন বন্ধু নেই” প্রকৃত বন্ধুর সংখ্যা হয় এক থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ জন। বাকিরা হবে শুভাকাঙ্ক্ষী। হ্যা বন্ধুরা তোমরা আমার কথার দ্বিমত পোষন করে লিখতে পার কমেন্ট বক্সে।
হতে পারে একেক জনের মতাদর্শ ভিন্ন। তবে বন্ধু মানেই
উদার আকাশ। বন্ধুত্বের কোন বয়স নেই,আকার নেই,ধর্মনেই। ছেলে,মেয়ে,থেকে শুরু করে সব সব বয়সের মধ্যে হতে পারে বন্ধুত্ব। তাই তো সংসার জীবনকে টিকিয়ে রাখতে বলা হয় স্বামী ও স্ত্রীর সম্পর্ক হওয়া উচিৎ বন্ধুর মত। তাই হয়তো একসাথে হাটতে হাটতে আমরা একে অপরের প্রেমে পরে যাই।কিছু দিন পর গাইতে হয় প্রেমের মরা জলে ডুবে না,,,,।না আমরা ডুবার কথা বলতে চাইনা।আমরা ভাসার কথা বলবো। আমরা প্রকৃত বন্ধুত্বের কথা বলবো। দেখি বন্ধুত্ব দিবসটি আমাদের জীবনে কিভাবে এলো? না হয় আমাকে আবার গুনগুন করে গাইতে হবে”বন্ধু হতে চেয়ে
তোমার,শত্রুু বলে গন্য হলাম” না বন্ধুরা আমি শত্রুু হয়ে ধন্য হতে চাইনা। তাই জানিয়ে দেই তার আসল ইতিহাস।

ইতিহাসের বন্ধু পাতিহাঁস বল :১৯৩০ সালে এই দিবসটির প্রথম সূচনা করেছিলেন বিশ্বখ্যাত উপহারসামগ্রী ও কার্ড বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান হলমার্কের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা জয়েস হল। তিনি ২ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রে বন্ধুত্ব দিবস উদযাপন বিষয়টি সামনে আনেন। এদিন কার্ড আদান-প্রদানের মাধ্যমে বন্ধু দিবস পালন করার চলন শুরু হয়। কিন্তু তাঁর সে প্রচেষ্টা অতটা সফল হয়নি। ১৯৪০ সাল নাগাদ মানুষ বুঝতে পারে, এটা কোনো মহৎ উদ্দেশ্য নয়, বরং হলমার্কের কার্ড ব্যবসা বাড়ানোর ফন্দি।

দেখুন কতটা ব্যবসায়ি মনা মানুষ!ভাগ্যটা ভাল আমার সহকর্মী বন্ধু (সহসম্পাদক) আনিস তখন তাকে পেলে নির্ঘাত কানে ধরে উঠবস করাতো।

এর পর জয়েস হলের উদ্যোগে যুক্তরাষ্ট্রে হালে পানি না পেলেও ইউরোপ-এশিয়ার বিভিন্ন দেশে একসময় ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ে বন্ধু দিবস উদযাপনের রেওয়াজ। তবে এই দিবস উদযাপনের ব্যাপারটিতে মোড় ঘুরিয়ে দেন প্যারাগুয়ের চিকিৎসক র্যামন আর্থেমিও ব্রেচ। তিনি ১৯৫৮ সালের ২০ জুলাই বিশ্বব্যাপী বন্ধু দিবস পালনের প্রস্তাব দেন। এরপরই বিশ্বব্যাপী ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে বন্ধুত্ব, ঐক্য ও ভালোবাসা ছড়িয়ে দিতে গঠন করা হয় ‘বন্ধুত্ব ক্রুসেড’। পরবর্তী সময়ে জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান ৩০ জুলাইকে বন্ধু দিবস ঘোষণা করেন। জাতিসংঘ জুলাইয়ের ৩০ তারিখ বন্ধু দিবস পালন করলেও বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আগস্টের প্রথম রোববার বন্ধু দিবস হিসেবে পালন করে।

বন্ধুরা এখানে কেউ কফি আনান কে খাওয়ার কফি ভাবে ভুল করলে,আমার বন্ধু (নির্বাহী সম্পাদক)সারয়ার উদ্দিন কিন্তু ধরে
১০০% ফরএভারের স্লিম হওয়ার ঔষধ খাইয়ে দিবে সুতরাং স্লিম হয়ে গিয়ে ( ১০০% এই ঔষধে স্লিম হয়) কক্সবাজারে আমার আরেক সহকর্মী (বার্তা সম্পাদক)আরিফুর রহমানের স্বপ্নবিলাস হোটেলে গিয়ে স্বপ্ন দেখার দরকার আছে কি?
থাক বন্ধুরা,বন্ধু দিবসে এত প্যাচাল পারলে আমার
সম্পাদক (এস,এম ইস্রাফিল হাওলাদার) আবার শিংগায়
ফু দিয়ে কেয়ামত লাগিয়ে দিলে কেমনে টাইমস বিডি নিউজ.কমের খবর আপনারা পড়বেন? তার চেয়ে আসুন
আমরা একসাথে বলি ” বন্ধু,আড্ডা,মজা,সংবাদ” এই নিয়ে শুভ হোক বন্ধুত্ব দিবস।

Comments

comments

Top