পুলিশ নামক মানব আছে, অধীকারের বালাই নাই।

FB_IMG_1488652991896-2.jpg

দেশের সেরা অফিসার যেখানে বিনাবিচারে শাস্তিপায় কোন অপরাধে শাস্তি,কেন অকেজো বছরের অধিক?

জাহাংগীর আলম শুভ:: দেশের নাগরিক হিসেবে নিজের অধিকারের ব্যাপারে সোচ্চার হতে পারে ভিক্ষুক। বলতে পারে আমাকে নূন্যওম ৫ টাকা ভিক্ষা দাও। সেটা তার অধিকার। একজন শ্রমিক সর্বোনিম্ন মজুরী দাবী করে ৫ হাজার টাকা। একজন অভিযুক্ত আসামী ন্যায়বিচারের জন্য
উকিল নিয়োগ করতে পারে,করতে পারে ফাঁসীর দন্ডপ্রাপ্ত আসামী। এটি একজন নাগরিকের অধিকার।

দীর্ঘ সময় তপ্তরোদে দাঁড়িয়ে বুকফাটা পানির তৃষ্ণা নিবারন করার অধীকার কি একজন ট্রাফিক কনস্টেবল রফিকের আছে? না নেই। কারন ৫ মিনিটের যানজটে হয়তো, সে কনস্টেবলের ভাগ্যজটের কারন হতে পারে।

প্রত্যেহ রোদ,বৃষ্টি,ঝড় উপেক্ষা করে ১৫-১৮ ঘন্টা দেশের জানমালের নিরাপওা নিশ্চিত করে পুলিশ বাহিনী। তার উপর ঈদের দিনে বৌ বাচ্চার সাথে ঈদ করতে না পারার কষ্ট,ঈদে ছোট্ট বাচ্চাটি লাল জামার আশায় প্রতিক্ষার প্রহর গুনে বাবা বাড়ী আসবে। কিন্তু জামা নিয়ে যাওয়া হয়না হতভাগ্য বহু পিতার। কারন ছুটি ম
দেশের সম্পদ,নাশকতা,জংলী হামলায় নিহত পুলিশের
পরিবার পায়না কোন বাড়তি টাকা,কেউ তাদের জন্য বছরে ১ দিনের বেতন কর্তন করে দিচ্ছে না ঝুকি ভাতা।
তারা চিৎকার করে বলতে পারেনা,তাদের অধীকারের কথা। কারন শৃংঙলাবদ্ব বাহিনী তারা। তাদের মানবাধিকার বা নিজের অধীকার বলতে না পেরে গুমরে কাঁদে। এত কষ্ট করার পরে ও কেউ যদি বিনা দোষে শাস্তি ভোগ করে বছরের অধিক। তাহলে এই কষ্টের কথা কাকে জানাবে? তার উপর যদি হয় দেশের শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত সেরা অফিসার। তাহলে দেশের এই সম্পদকে কাজে না লাগিয়ে,কোন অপরাধের শাস্তি স্বরুপ কর্মহীন করে রাখা হলো? সে হতভাগ্য অফিসারটি সিএমপির

ওসি,মাইনুল ইসলাম ভূইয়া। তিনি নিজে ও জানেন না,কি তার অপরাধ। তবে কি স্বাধীনতার বিপক্ষ শক্তি আবার ও সক্রিয়?
সুক্ষ যড়যন্ত্রের হাত কি ক্রমেই প্রসারিত হচ্ছে আমাদের মেধাবী অফিসার নিশ্চিহ্ন করার এজেন্ডা নিয়ে?

কোন অপশক্তির হাতকে শক্তিশালী করা হচ্ছে। সেই অপশক্তির রাহুগ্রাসের কবলে, দেশের সেরা অফিসার
হিসেবে পদক পেয়ে ও তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলতে থাকে দিনের পর দিন। সমাজের,দেশের কাছে সে এখন খারাপ মানুষ। কারন মানুষ চোখে দেখেনি তবে শুনেছে। তাও সমাজের মিডিয়ার কল্যাণে,আর মিডিয়াতে প্রেজ রিলিজ যিনি দিলেন তিনি একজন নির্বাহী বিচারক। তবে শাস্তি
দিলেন, ভুল,মিথ্যা,অন্যায় ভাবে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিচক্ষণ আইজিপি মহোদয়।
দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

সারা বাংলাদেশের একজন শ্রেষ্ঠ পুলিশ অফিসার ইনচার্জ হিসাবে,প্রধানমন্ত্রী পুএ জনাব,সজীব ওয়াজেদ জয়ের হাত থেকে গত ১২/২/২০১৫ইং চীনমৈএী সম্মেলন কেন্দ্র থেকে প্রযুক্তি” ২০১৪ “পুরস্কার লাব করেন।
(সম্বভত এটাই তার অযোগ্যতার শুরু)
যদি তাই না হয়, তাহলে সে বিএনপি পন্থি? না, সেটাও না। কারন ওসি মাইনুল ইসলাম ভূইয়ার
পিতা, মৃত নুরুল ইসলাম ভূঁইয়া ।চট্টগ্রাম উওর জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্নসম্পাদক,এবং আওয়ামীলীগের মাননীয় মন্ত্রী, ইন্জিনিয়ার মোশারফ হোসেনের সাথে সহযোগী হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহনকরে বীর
মুক্তিযোদ্ধা খেতাবপ্রাপ্ত হন। বিগত দিনে আওয়ামীলীগ লীগের জন্য অসামান্য ত্যাগের ফলে চট্টগ্রামের আওয়ামীগের সকল নেতা, মৃত নুরুল ইসলাম ভূইয়াকে এক নামে চেনেন। তারই মেঝ ছেলে ওসি মাইনুল ইসলাম ভূইয়ার। ওসি মাইনুল ইসলাম ছাএ জীবনে নিজামপুর কলেজ ছাএলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। ২০০১ সালে এসআই পদে যোগদান করে ২০১১সালে ওসি তদন্ত বায়জীদ থানা,এবং ৩ মাস পরই হালিশহর থানার অফিসার ইনচার্জ হিসেবে যোগদেন। ১০মাস চাকুরী করা কালীন বিগত ২৫/৫/২০১৩ইং তাকে খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। খুলশী সিএমপির তালিকায় বিএনপি-জামাতের শক্তঘাটি হিসেবে পরিচিত। মাইনুল ইসলাম ভূইয়া তার কৌশলে,জামাতের ঘাটিতে অভিযান,দেশে অরাজকতা সৃষ্টিকারীদের কঠোর হাতে দমন, নিজের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে নাশকতাকারীর সন্ধানদাতাকে পুরস্কারসহ ২ বছর খুলশী থানা এলাকা জংগী,নাশকতা,সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজী মুক্ত এলাকা বানিয়ে ফেলেন। নিয়ন্ত্রণে আনে জামায়াতের নানা যাবতীয় নাশকতা মূলক কাজ। তাই তিনি তখন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় ব্যাপক প্রচার পায়। ফলে লুকিয়ে থাকা অপশক্তি সচল হয়।

এই শ্রেষ্ঠ ওসির বিরুদ্ধে শুরু হয় গভীর ষড়যন্ত্র::কোন অপরাধে তাকে অভিযুক্ত করে দীর্ঘ ১বছরের বেশী কর্মহীন করে রাখা হয়? বর্তমানে ও কর্মহীন।
একটু বিশ্লেষণ করে দেখি,আসলে সে অপরাধ করেছে? নাকি তাকে যড়যন্ত্র করে দমিয়ে রাখা হয়েছে?

১/অপরাধ
ক/২০১৫ সালের ৫ই মে,চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে,নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে নির্বাচন কমিশন,
এবং ১৩নং ওর্য়াড পাহাড়তলী,জামায়াত প্রার্থী বহু মামলার আসামী মাহফুজুল আলমের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সুষ্ঠনির্বাচনের স্বার্থে ওসি মাইনুল ইসলাম ভূইয়াকে নির্বাচন কমিশনাররের লিখিত আদেশে,ডিবিতে বদলী করেন। ২৮ দিন ডিবিতে কর্মরর্ত থেকে ২২/৫/২০১৫ সদর ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে বদলী করা হয়।
খ/বিশ্লেষণ::নির্বাচন কমিশনকে সরকার ক্ষমতা দেন।কমিশন চাইলে যে কাউকে বদলী করতে পারেন।এতে তার দোষ কোথায়?।

২/ অপরাধ
————————
ক/ ডিসি মিডিয়ার কাল্পনিক প্রেস বিজ্ঞপ্তি, পরবর্তীতে নির্দোষ প্রমান,তবু ও পাশে দাড়ায়নি সিএমপি পুলিশ।
১৮ই জানুয়ারি ২০১৬, খুলশী থানা এলাকার হাবিবলেনে বেনামী ৫তলা একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালায়,সেখান থেকে ১১জন মেয়ে ৪জন পুরুষ মোট ১৫ জনকে গ্রেফতার,১১জন মেয়েকে মুসলেকা নিয়ে ছেড়ে দিয়ে ৪জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেন জেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব,তাহমিলুর রহমান। সেখান থেকে ৪ বোতল ভোত্কা,ইয়াবা সেবনের সরন্জাম,এক লক্ষ ৯শত টাকা,উদ্বার করে সরকারী কোষাগারে জমা দেন।
সন্ধ্যায় ৩/২ টিভি স্কোলিং দেখা যায়, ডিসি মিডিয়ার প্রেসরিলিজে ডিসি মিডিয়ার তথ্যগত ভুল। যাতে স্পর্ষ্ট উল্লেখ করা হয় মাইনুলের গেষ্ট হাউজ। একজন নির্বাহী
ম্যাজিস্ট্রেট,কিভাবে কোন প্রমান ছাড়াই ওসি মইনুলকে অপরাধী বানিয়ে দিলো? আর এই প্রেসরিলিজ পরে মিথ্যা প্রমানিত হলো। দেখা যায় এই ইয়াবার দালিলিক প্রমানে আলম নামীয় এক ব্যবসায়ীর সাথে মালিক পক্ষে চুক্তি নামা। যা রোটারি পাবলিক থেকে এফিডেবিট করা।
তাহলে নির্দোষ মাইনুল ইসলামকে সমাজের,পরিবারের,চরিএের উপর নোংরা কলংকের বিচার বা এর প্রতিবাদ কেন সিএমপি করলো না?
এর পিছনে কারন কি? একজন বিচারক কিভাবে নির্দোষ এক শ্রেষ্ঠ পুলিশ অফিসারকে বিচার ছাড়াই ফাসী দিলো? মানবাধিকার নামক অধিকারের নির্মমতা মাইনুল ছাড়া আর কেউ বুঝলোনা।

খ/বিশ্লেষণ :: দোষ না করেই, প্রিন্ট ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার কল্যাণে ভিলেন বানিয়ে,তার পারিবারিক সম্মান মাটিতে মিশিয়ে দিয়ে,সমাজের,দেশের সকলের কাছে অপরাধী হিসেবে। ঘৃনার পাএ বানিয়ে দিলো। সবই ঘটলো একজন শ্রেষ্ঠ পুলিশ অফিসারের বিরুদ্বে।
সে নির্দোষ হয়ে ও অপরাধী।

৩/অপরাধ
ক/ ১৮ই জানুয়ারীর নির্দোষ হয়ে ও অপরাধের শাস্তি মাথায় নিয়ে ,আবার নতুন যড়যন্ত্র সামনে হাজির।

১৯/৩/২০১৬ইং বিকেল ৫ টায় প্রধান মন্ত্রীর চট্টগ্রাম আগমন উপলক্ষে নিরাপওা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সিএমপি কমিশনারের নির্দেশে আবাসিক হোটেল গুলোতে এবং ঝকিপূন্য জায়গায় অভিযান চালাতে গিয়ে নিম্নমানের একটি হোটেলের ২০৫ নং রুমে গিয়ে একটি মেয়ে ও ছেলেকে আপওিকর অবস্হায় পেয়ে তার পরিচয় জানায় ছাএলীগের সাবেক এক ছাএ নেতা, আব্দুর রহিম জিল্লু ও তার কর্থিত স্ত্রী সাদিয়া কাইয়ুম রুশনীকে পাওয়া যায়। একজন ছাএনেতা কেন সস্তানিম্ন মানের হোটেলে? তখন তার পরিচয় নিশ্চিত হতে তাদের থানায় নিয়ে যেতেই,সিটি কলেজ ও ইসলামিয়া কলেজ। ছাএলীগ নেতারা মনে করেছেন। বন্দর এমপি আব্দুল লতিফের বিরুদ্বে বংগবন্ধুর ছবি বিকৃত মামলার বাদী ছিল,এই জিল্লু। এবং জিল্লু মহিউদ্দিন চৌধুরী অনুসারী। সিটি ও ইসলামিয়া কলেজ মহিউদ্দিন চৌধুরী গ্রুপের নিয়ন্ত্রনে। তাদের ধারনা হয়,হয়তো টাকা দিয়ে এমপি লতিফ তার বাদীকে পুলিশ দিয়ে গ্রেফতার করায়।শুরু ছাএলীগনেতাদের আন্দোলন। তারা ওসির প্রত্যাহার দাবী করে।
কিছু ছাএনেতা তখন সিএমপি কমিশনারের সাথে দেখা করলে, সিএমপি কমিশনার সবাইকে অবাক করে দিয়ে কোর্টে বাদীকে মামলা করার পরামর্শ দেন ।তিনি কেন সমস্যা সমাধান না দিয়ে মামলা করতে বলেন! এর প্রমান মিলে। জিল্লু বাদী হয়ে ওসি মাইনুল সহ ৪জনকে আসামী
করে করে ২৩/৩/২০১৬ আদালতে একটি পিটিশন দাখিল করেন।ঘটনার ২দিনের মাথায় তাদের ভুল ভাংগে।

মহিউদ্দিন চৌধুরীর মধ্যস্ততায় মিমাংসা হয়।এবং ২৭/৩/২০১৬ইং মামলা প্রত্যাহার করার আবেদন করেন বাদী। ৫ দিনের মাথায় আদালত আবেদন আমলে নিয়ে,মামলা প্রত্যাহার গৃহিত করেন।

বিশ্লেষণ:: ভুলবুঝা বুঝির অবসান হতে সময় লাগে ৫ দিন। আদালতের নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায়। আদালত কতৃক মিমাংসিত মামলাটি। সিএমপি কমিশনার কোন স্বার্থে কোন এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার জন্য,মিমাংসিত মামলাটির ৩ দিন পর লোক মারফত নকল তুলে নিয়ে ৩০/৩/২০১৬ ইং মামলা নং ১৭ সদরঘাট থানায় নির্যাতন ও হেফাজত মৃত্যু (নিবারন আইন)২০১৩ এর ১৫ ধারা সংযোজন করেন। এবং মালাটি রেকড করিয়ে তা আদালতে দাখিল করেন। একটি বিশ্বস্ত সূএে জানা যায়। দেশের একজন সেরা অফিসারকে শুধু মাএ চাকুরী হতে দূরূেসড়িয়ে রাখার জন্য একজন সিএমপি কমিশনার কিভাবে এতটা নোংরামির আশ্রয় নিলেন? তিনি কি কারে তাঁর অধীনস্হকে একজন
শ্রেষ্ঠ পুলিশ অফিসার কে ২১/৩/২০১৬ হইতে এই মামলা চলাকালীন ৩০/১/২০১৭ইং কতব্য পালন থেকে ৭ মাস বিরত রাখে। কে দেখবে এই অবিচার?

৪/ অপরাধ
ক/ দেশের বাইরে থেকে মেহমান আসার কথা থাকলে তিনি হোটেল সেন্টমার্টিনে একটি রুম বুকদেন,যার নং ৪১৫।
গত ৩/৭/২০১৭ইং প্রথমে বাংলা নিউজে ” মাতাল ওসির
কান্ড” শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ হলে পর্যায় ক্রমে তা অনান্য খবরের শিরোনাম হলে সাথে সাথে ওসি মাইনুলের
বিরুদ্ধে ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠিত হয়।

সংবাদে (বাংলা নিউজ সূএ) বলা হয়,মাইনুল রাত ১.৩০মি:হোটেলে আসে।রাত ২ টায় মাতাল হয়ে আরো মদের অর্ডারকরে। সেখানে মদ না দেওয়াতে তিনি হোটেল বয়কে মারধর করে। ঐ স্টাফ কে ছাড়াতে সিকিউরিটি গার্ড এগিয়ে এলে তারা ও তার মারধরের স্বীকার হয়।
তিনি নাকি মাতাল অবস্হায় দায়িত্বরত পুলিশ পরিদর্শক, সৈয়দ আলমকে শারীরিক ভাবে লান্চিত করে। আলম উপপুলিশ কমিশনার পশ্চিমকে ফোন দিলে তিনি ফোন করে ডবলমুরিং থানার ওসিকে ঘটনাস্হলে পাঠান।তারা প্রাথমি ভাবে ঘটনার সত্যতা পেয়েছে( সূএ: বাংলা নিউজ)
গাজা খুড়ি গল্প ফাঁদবেন? একটা সীমা থাকা উচিত। ১/ রাত ১.৩০ মি: হোটেলে এলো। ২ টায় মাতাল?
সময় পেল মাএ ৩০মি: বলা হয়নি এটি ৩ তারকা হোটেল। এখানে বার আছে।আর কোন খাবার,মদ,বিয়ার
হোটেলে আনা যায়না । তার পরে ও ধরলাম বাহির থেকে আনাই হলো।তাহলে মদ খেতে খেদে মাতাল সময় ৩০মি:
সে তার রুমে অনবরত মদ খেয়ে মাতাল,আরো অর্ডার দিলো আরো মদের। না দিলে প্রহার। এত কিছু কি ৩০ মিনিটে করা সম্ভব?
বন্ধ ঘরে মাতাল হলো,দরজা বন্ধ।তাহলে ভিতরের খবর কেমনে জানলো ? আর সেন্টমাটিন হোটেলে বার খোলা থাকে কয়টা পযন্ত্য? তিনি মাতাল,কিন্তু হোটেল বিল ঠিক মতো পরিশোধ করলো। ৪ জন হোটেল ষ্টাফ মার খেল। হোটেল কতৃপক্ষের কোন অভিযোগ নেই। তাহলে
কার বিচার কোন নিয়মে করা হচ্ছে? তিনি এসআই আলমের গায় হাত দিলেন। মাতাল হয়ে। (গল্প সাজাবেন বুদ্ধি খরচ করে::)
মাতাল হয়ে বিল পরিশোধ করলো,মারামারী করলো,গাড়ী নিয়ে চলে গেল। আবার ফিরে এলো। এইবার এসআই আলমকে মারলো।
প্রশ্ন:: মাতাল বিল পরিশোধ করলো। গাড়ী নিয়ে চলে গিয়ে আবার এলো হয়তো কিছু ফেলে গেছেন। মাতালই যদি হয়, এত কিছু মনে রাখতে পারে, ৪/৫ থানায় ওসির দায়িত্ব পালন করা ব্যক্তি কিভাবে ভুলে যায়,গায়ে ইউনিফরম থাকা পুলিশের গায়ে হাত তোলার শাস্তি কি হতে পারে? না,আসলে সেই রকম কিছু হয়নি বলে প্রমান মেলে সৈয়দ আলমের কর্মকান্ডেই।

পুলিশ পরিদর্শক আলমকে মারলেন। তাও চলে গিয়ে আবার ফিরে এসে। তার কথাই মেনে নিলাম।তাকে মেরেছেন। এমনি এমনি মাতাল হয়ে মারবেন? এসআই আলমের পরবর্তী কাজ গুলো লক্ষ করুন।

তিনি মার খেয়ে নিয়মানুযায়ী এসআই আলম ১ম ফোন করবেন ওসি,বা ওসি তদন্ত অথবা সেকেন্ড অফিসার কে। এটাই তো স্বাবাভিক। তিনি কি করলেন? তিনি ফোন দিলেন সরাসরি উপপুলিশ কমিশনারকে। উপপুলিশ কমিশনার ফোন করে ওসিকে ঘটনাস্থলে পাঠায় (সূএ বাংলা নিউজ) এখানে সৈয়দ আলমের কর্মগুলো কি অস্বাবাভিক নয়? যার স্হানে ঘটনা,তার অভিযোগ নেই।
ইন্টারন্যাশনাল হোটেল মেনেজম্যান্ট আইনে। বার থাকা হোটেল গুলোতে দক্ষ,ম্যানেজম্যান্ট বাধ্যতা মূলক। যদি তাদের উপস্হিতিতে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে থাকে।
তাহলে সাথে সাথে ঐ গ্রুপের সব স্টাফ,চাকুরীচূত হবেন। খোজ নিয়ে জানলাম।কারো চাকুরী যায়নি।মানে
মদ খাওয়ার ঘটনাটি আন্তজাতিক হোটেল আইন অনুযায়ী ঘটেনি। আর কি প্রমানের অপেক্ষা রাখে। সেই দিনের ঘটনা অতিরন্জিত।
এসআই আলমের সাথে যদি কিছু হয় তা বাইরে,তাহলে সিসি টিভির ফুটেজ তো অমুলক? আর সেই ফুটেজ থাকলে জনগনকে জানাতে বাধা কোথায়? এত দোষী ব্যক্তি তিনি,প্রমান আর ফুটেজে যদি সেই রকম প্রমানই থাকতো,তাহলে আজ ৭দিনে সব তদন্ত করেও কেন মাস পার করা হলো?

একজন বললো সে খারাপ,এই করেছে সেই করছে। প্রশ্ন করলাম। আপনি চোখে দেখছেন? বল্ল না।
তাহলে খারাপ কিভাবে বললেন?
উ: মানুষ বলে তাই।

বিশ্লেষণ :: আসলে সে দিন কি ঘটেছিলো, এবার বুঝতে পেরেছেন। সে আর যাই হোক মাতাল হয়নি

বিশেষ লক্ষনীয় ব্যাপার হলো : আমার জানামতে পুলিশের এসিআর বা গোপন প্রতিবেদন, প্রতি বছর ঢাকায় প্রেরন করতে হয়। এই
ক্ষেএে অবাক করা ব্যাপার হলো ২০১৫ সালের এসিআর ২০১৭ সালে পাঠাতে ওসি মইনুলের কাছ থেকে রিসিভ
করানো হয় কিছু দিন পূর্বে। নির্ভরযোগ্য সূএ জানায়,২০১৫ সালের এসি আরের পরিবর্তন করে ২০১৭ সালে দেওয়া হয়।

দেশের একজন সেরা অফিসার,আজ দীর্ঘ ১ বছরের বেশী সময় অকেজো করে রাখা হয়েছে। প্রতিপদে তার বিরুদ্ধে একের পর ষড়যন্ত্র হওয়ার পিছনে কি কারন থাকতে পারে?
(লিখাটি কাগজ পএ যাচাই,বিভিন্ন মানুষের দেয়া মূল্যবান তথ্য,দালিলিক প্রমানের উপর ভিত্তি করে লিখা?

Comments

comments

Top