এরাই কি শিক্ষিত ডাক্তার? যেখানে হত্যা হয়ে যায় আত্মহত্যা!

FB_IMG_1501495787941_1.jpg

(জাহাংগীর আলম শুভ) ::ইরফান চৌধুরী আত্মহত্যা করেনি। ২য় ময়না তদন্তে উঠে আসে হত্যাকান্ড,শ্বাষরোধ করে হত্যা করা হয়েছে তাকে। তাহলে প্রথম ময়না তদন্তে কেন আত্মহত্যা করেছে মর্মে জানানোহলো?

২য় রির্পোটে হত্যাকান্ড হয়েছে বলে বলা হলো।তাহলে কোনটা সত্য? তাহলে মানুষের মৃত্যু নিয়ে ব্যবসা করছে শিক্ষিত নামের পশুসম ডাক্তার? তাদের কাছেই আমরা আমাদের সন্তানদের মানুষ করতে পাঠাই? সরকারের কি উচিত নয়, প্রকৃত রহস্য উম্মোচনের? এমন ও হতে পারে ২য় ময়নাতদন্ত রির্পোট মিথ্যা? না,আমরা কোন
সম্ভাবনাকে বাদ দিতে পারিনা। তবে হত্যার আওয়াজ প্রথম থেকেই জোড়ালো হতে থাকে। অথচ হতবাক করে দিয়ে দিলো ময়নাতদন্ত রির্পোট বলা হয় আত্মহত্যা!!
তবু হাল ছেড়ে না দিয়ে লড়াই করলো দিয়াজের পরিবার,সহকর্মী,বীর সাধারন ছাএ/ছাএীরা
তাহলে এই দাবী তোলা কি অস্বাবাভিক ঐ দোষী ডাক্তার যিনি ক্লীন মার্ডার কে আত্নহত্যা বলে রায় দেন তার ফাসীর দাবী। সেই তথাকথিত ডাক্তারের?

প্রথম রিপোর্ট  মামলার তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি এবং দ্বিতীয় দফা ময়নাতদন্তকারী সংস্থা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের সূত্রে এই তথ্য পাওয়া গেছে।  

জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি চট্টগ্রাম জোনের সিনিয়র এএসপি হুমায়ুন কবির বলেন, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এসেছে।  তবে আমি এখনও ভালোভাবে দেখিনি। 
সিআইডির আরেক কর্মকর্তা বলেন, ‘এটা শুধুমাত্র দেখেছি যে হত্যামূলক উল্লেখ আছে। ’

দিয়াজ (২৭) ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ‌্যালয় কমিটির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক। চট্টগ্রামে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে দিয়াজ সিটি মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

গত বছরের ২০ নভেম্বর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের দুই নম্বর গেইট সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসা থেকে দিয়াজের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।  পুলিশ দিয়াজ আত্মহত্যা করেছে বলে বক্তব্য দিলেও শুরু থেকেই তার পরিবার অভিযোগ করে আসছিল, দিয়াজকে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

হত্যাকাণ্ডের পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগ প্রথম দফা ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে।  তারা আত্মহত্যা বলে প্রতিবেদন দিলে সেটি দিয়াজের পরিবার প্রত্যাখান করে।

২৪ নভেম্বর চট্টগ্রামের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শিবলু কুমার দে’র আদালতে দিয়াজের মা জাহেদা আমিন চৌধুরী বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।  মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি আলমগীর টিপুসহ ১০ জনকে আসামি করা হয়।  আদালত সরাসরি মামলা গ্রহণ করে সিআইডিকে তদন্তের আদেশ দিয়ে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

তদন্তের দায়িত্ব নিয়ে সিআইডি দ্বিতীয় দফা ময়নাতদন্তের উদ্যোগ নেয়।  গত বছরের ১০ ডিসেম্বর কবর থেকে দিয়াজের মরদেহ তুলে দ্বিতীয় দফা ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে ঢামেকের ফরেনসিক টিম।  সাত মাস পর এসেছে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন।
তাহলে একটি মূত্যুর যদি ময়নাতদন্ত রির্পোট আসতে ৭ মাস ব্যয় হয়,তাহলে কতমাস,কত বছর,কত যুগ লাগবে
একটি হত্যার বিচার পেতে? প্রশ্ন দিয়াজের পরিবারের।

Comments

comments

Top