চট্টগ্রামে এ্যাড: আব্দুস সাওার সারোয়ার ২৭ বছর পর বিএনপির সহসভাপতি পদে ।

FB_IMG_1499776576510.jpg

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির অবশেষে দীর্ঘ ২০ বছর পর পূনাংগ কমিটি গঠিত হলো।এ্যাড আব্দুস সাওার সারোয়ার এরই সুবাদে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহসভাপতি পদ পেলেন, রাজনীতির ২৭বছর পর।চট্টগ্রাম আদালতের সিনিয়র আইনজীবী,১৯৯৮ সালে চট্টগ্রাম বারের জি,এস নির্বাচিত হন বিপুল ভোটে,সেই সাথে বিএনপি সরকারের আমলে একসাথে নারীওশিশু এবং চোরাচালন মামলার পিপি হিসেবে দায়িত্বপালন করেন।চট্টগ্রামে বিএনপির আইনি লড়াইয়ে এবং ছাএদল,যুবদল, বিএনপির হাজার হাজার কর্মীদের জন্য আইনি সহায়তা দিয়ে জামিনে মুক্ত করে আনার পিছনে তাঁর অবদান প্রশংসনীয়। ব্যক্তিত্ববান,সদালাপী,এবং আইন পেশায় বলাচলে জাঁদরেল আইনজীবীর তকমাআঁটা এই আইনজীবীর মুখোমুখি সাক্ষাতকার গ্রহন করেন,আমাদের সম্মানিত প্রকাশক জাহাংগীর আলম শুভ। তিনি নবগঠিত বিএনপির কমিটি নিয়ে নানা প্রশ্ন ছুড়ে দিলে উওর দেন এডভোকেট আবদুস সাওার সারয়ার,,,।

প্রশ্ন::চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির পূর্নাংগ কমিটিতে কোন পদ পেলেন?
উ:: সহসভাপতি
প্রশ্ন :আপনাকে যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়েছে বলে মনে করেন?
উ : হ্যা, হয়েছি,দীর্ঘ ২৭ বছর রাজনীতি করে ২০বছর পর চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির পূর্নাংগ কমিটি হলো,আর এই বারেই আমি সামান্য মানুষ সহসভাপতি পদ পাওয়া।আসলেই সম্মানজনক মূল্যায়িত হয়েছি।
প্র:বিএনপির এই কমিটিতে কোন প্রকার অসংগতি বা ত্যাগী কেউ বাদ পরলো কিনা?
উ : আমি বলবো,সামান্য কিছু অসংগতি ছাড়া,কমিটি যর্থাত হয়েছে।
প্রশ্ন: অসংগতি মানে?
উ:অনেক জায়গায় সিনিয়র নেতাদের নাম পরে আসছে,জুনিয়র নেতাদের নাম আগে।
প্র: আপনার এই পদ পদবীর পিছনে কারো কোন অবদান আছে?
উ:: অবশ্যই, আমি মনে করি আজকের এই পদের পিছনে আমার নেতা জনাব,আবদুল্লা আল নোমানের অবদান আছে।আমার নেতার জোড়ালো ভূমিকায়,আমি আমার কাজের মূল্যায়ন পাইছি।
প্র:: তার মানে এখনো কি গ্রুপিং রাজনীতি বিদ্যমান?
উ :: আসলে গ্রুপিং বলতে আমাদের দলে কোন কিছু নেই। যা আছে, তা হলো নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা।
প্র:: তার মানে আপনি বলছেন চট্টগ্রামে বিএনপিতে কোন গ্রুপিং নেই?
উ:: আমিতো বলেছি, কোন গ্রপিং বলতে কোন কিছু চট্টগ্রাম বিএনপির মধ্যে নেই।যা আছে তাহলো নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা।
প্র:: আপনি কি প্রশ্নটি এড়িয়ে যেতে চাইছেন?
উ:: না।
প্রশ্ন:: তাহলে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি কমিটি পূর্নাংগ করতে ২০ বছর সময় লাগলো কেন?
উ:: বিএনপি একটি বিশাল দল।সেখানে মতের ভিন্নতা থাকতে পারে,প্রতিযোগিতা আছে নেতৃত্বের, তবে গ্রুপিং নাই। হয়তো সেটা সাংবাদিকদের ভাষায় গ্রুপিং বলে মনে হয়।
প্র:: তাহলে আমি বলবো,২০ বছরের একমাএ সফল নেতা চট্টগ্রাম খুজে পেল,ডা: শাহাদাত হোসেন কে?
উ: ডা: শাহাদাত ভাইয়ের পক্ষে একা এই কাজ করা অসম্ভব। সকল নেতাদের সম্বন্ধিত মতামতে, সহযোগিতায় ডা: শাহাদাত পূনাংগ কমিটি করতে পেরেছেন।
প্রশ্ন:: পূর্বের নেতাদের যেখানে ২০ বছর, ডা: শাহাদাত এবং আবুল হাসেম বক্করদের সেখানে অল্প কয়দিন।তাহলে গ্রুপিং বিএনপিতে নেই এই কথাটা কতটা যুক্তিযত?
উ:: আমি বলেছি মতের ভিন্নতা,অমিল,ঐক্যমতে পৌছাতে না পারা।
প্রশ্ন:: তাহলে সকলে মিলে এই অসাধ্য কাজ, সফল করার জন্য ডাঃ শাহাদাতকে ফুল দিয়ে বরন করতে আপনাদের এত বাধা কোথায়? এখনো নোমান,খসরু,বিএনপির এই অংশের নেতারা সফলতার কথা এখনো আনুষ্ঠানিক ভাবে বলেননি।কেন?
উ::আমার নেতা আব্দুল্লাহ আল নোমান। যোগ্য ব্যক্তিকে যোগ্য সম্মান দিয়ে থাকেন।হয়তো এখনো তিনি ব্যস্ত আছেন।
প্রশ্ন:: এবার ছাএদল রাজনীতি নিয়ে বলি।আপনারাতো প্রচার করে,জানিয়ে ছিলেন।এক নেতা একপদ।তাহলে ছাএদল এখন কোন পদ? ১১ জন ছাএদল নেতা নিয়ে ছাএদল।এখন ৭জন। আসলে ইতিহাসের অংশ হয়ে গেল সিরাজ -ভুলু পরিচিত ছাএদল।কি মতামত আপনার?

উ:: খুব শীঘ্র ছাএদলের নতুন কমিটি ঘোষিত হবে।
প্রশ্ন :: তাহলে একনেতা একপদের ভবিষ্যৎ কি?সিরাজ- ভুলুতো এখন বিএনপির কমিটিতে?

উ:: আপাদত ছাএদলের কনিটি হওয়া পযন্ত্য তারা ২ই হন থাকবে
প্রশ্ন :: ছাএদলের কেমন কমিটি চান?
উ:: যোগ্যতা আর শিক্ষিত ছাএরা নেতৃত্বে আসুক।কেননা যারা এখন ছাএনেতৃত্ব দেওয়ার কথা,কমিটি না হওয়ার ফলে তারা এখন জাতীয়তাবাদী বৃদ্ধদল হয়ে গেছে, নতুন কিছু সৃষ্টি হলোনা।

Comments

comments

Top