হোলি আর্টিজানের আগে-পরে

77e866f981e91d4a87ad8084e3b03a6e-595546f9a04dd.jpg

‘এই জনপদে পাখিদের ঝগড়া ছাড়া আর কোনো বিসংবাদ চাই না আমরা। পাখিদের ঝগড়া বড়ই মধুর। তাহা আমাদের প্রত্যুষ এবং প্রদোষকে আমোদিত করে। আমার শয়নকক্ষের ঠিক পাশেই কয়েকটি পেয়ারা, কাঁঠাল, ডালিম এবং কিছু ফুলের তরু যথেষ্ট বাড়িয়া উঠিয়াছে। ওই সব তরুশাখায় বুলবুলি, শালিক, মৌটুসী, দোয়েলের নাচানাচি। উহাদের ডানা ঝটপটানি এবং পরস্পরকে উদ্দেশ করিয়া পাখি-ভাষায় কথোপকথন আমাকে স্বর্গীয় আনন্দ দান করে। আহা এই রকমভাবে শেষ জীবন উপভোগ করিব বলিয়াই তো আমরা আমাদের যৌবনব্যাপী দিনরাত মেহনত করিয়াছি। আমরা সুখী থাকিব আমৃত্যু। আমাদের বাহিরের দুনিয়ায় যাহাই ঘটুক না কেন, আমরা তাহা অস্বীকার করিব। বাহিরে যত ঝড়ই উঠুক, সেই সব ঝড় আমাদের জীবনে প্রবেশ করিতে দেব না। বাহিরের অযথা আহ্বানে বিচলিত হইব না। সুখ বাহিরে থাকে না। থাকে আমাদের অন্তরের মাঝে। তাহা তুমি আর আমি ঠিকই আবিষ্কার করিয়াছি। তুমি তোমার খামারের সর্বশেষ তথ্য আমাকে জানাইয়া সুখী করিয়ো।’

একসঙ্গে রিটায়ারমেন্টের পর সিদ্দিক আহমেদ চলে এসেছেন নিজের এলাকা নাটোরের তেলকুপিতে আর বন্ধু রওশন আলী চলে গেছেন তাঁর নিজের এলাকা ময়মনসিংহের ভালুকায়। পেনশন-গ্র্যাচুইটির টাকা ব্যাংকে রেখে সুখে দিন কাটানোর বদলে সিদ্দিক আহমেদ গড়ে তুলেছেন ফলের বাগান আর রওশন আলী মাছের খামার। সন্তানসন্ততিদের তাঁরা উপযুক্তরূপে মানুষ করেছেন। তারাও নিজ নিজ পেশায় সফল। নাতি-নাতনিরা ভালো প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করছে। কাজেই তাঁরা নির্ভার। তাঁরা প্রতিদিন পরস্পরকে চিঠি লেখেন। মোবাইল আছে তো কী হয়েছে! চিঠিতে নিজেকে যতটা ব্যক্ত করা যায়, ততটা আর কোনো কিছুতেই সম্ভব নয়। তাই তাঁরা পরস্পরকে চিঠি লেখেন এই মোবাইল-ফেসবুক-ইন্টারনেটের যুগেও।

চিঠিটা শেষ করে খামের মুখে আঠা লাগানোর সময় সিদ্দিক আহমেদের মোবাইল বেজে উঠল। হাতে নিয়ে দেখলেন বন্ধুর নাম ভেসে আছে। একটু হেসে শুরু করলেন কথা, ‘কী বন্ধু, রাতে ঘুম আসতিছে না নাকি?’

ওপার থেকে রওশন আলীর উত্তেজিত কণ্ঠ ভেসে আসে, ‘এই সব কী ঘটতাছে আমরার দ্যাশে?’

সিদ্দিক আহমেদ একটু চমকে ওঠেন, ‘ক্যা? কী হইছে?’

‘টিভি দ্যাখো নাই? চালু করো। দ্যাখো!’

‘তা করতিছি। কিন্তু কী হইছে কও তো একটু।’

‘ঢাকার একটা বেকারিতে একগাদা মানুষকে জিম্মি করছে জঙ্গিরা।’

‘তাই?’

‘হ্যাঁ। সকলেই জানে, তুমি জানো না?’

একটু হাসেন সিদ্দিক আহমেদ, ‘আরে বাইরে তো কত কিছুই ঘটে। সবকিছু নিয়ে ব্যস্ত থাকলে আর নিজের মতো থাকব কখন?’

‘না না এই ব্যাপারখান অবহেলা কইরো না। টিভি চালাও।’

একমাত্র বন্ধু এতটা তাগাদা দিচ্ছে। অতএব সিদ্দিক আহমেদকে টিভি চালু করতে হয়। রিমোট বেশি টেপাটেপি করতে হয় না। কারণ, সবগুলো দেশি চ্যানেলে একই খবর।

কিছুক্ষণ দেখেই মাথা ঝিম ঝিম করতে থাকে। একা এমন জিনিস বেশিক্ষণ সহ্য করা যায় না। ছেলেকে ডাকেন গলা তুলে।

সিরাজ নিজের ঘরে নিশ্চয়ই টিভিই দেখছিল। বাবার ডাকে তঁার কাছে এসে বসে।

‘এই সব কী ঘটতিছে?’

পুত্রকেও বিমূঢ় দেখায়। সে উত্তর না দিয়ে নিজের চিন্তায় ডুবে যায় যেন। সে মনে করতে চায় ফেসবুকে এক বন্ধুর লেখা—

‘আমরা খবর পাচ্ছি তারা আসছে। কেউ কেউ জানাচ্ছে যে এসে পড়েছে তারা। কিন্তু আমাদের প্রতিরক্ষা-প্রধানেরা শুনতে নারাজ এ কথা। তাঁরা সব গুজব বলে এড়িয়ে যান। আমাদের বলেন যে সব ঠিক আছে। কিন্তু আমরা কিছুই ঠিক দেখি না। নিজেদের মধ্যে তা নিয়ে হাহাকার করি। বারবার আবেদন-নিবেদন প্রেরণ করি। সেগুলো কোন দেয়ালে যে ধাক্কা খেয়ে উড়ে যায় ঘূর্ণিবাতাসে, তা আমরা জানতেও পারি না।

আমরা বলি, ইয়াজুজ-মাজুজ আসছে! তাদের পায়ের আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে!

আমাদের অধিনায়ক প্রশ্ন করেন, প্রমাণ কী যে তারা আসছে?

প্রমাণ? প্রমাণ তো চোখের সামনেই আছে। এই যে দীপন, এই যে অনন্ত বিজয়, এই যে…

থামো! আমাদের ধমক দেওয়া হয়। বলা হয়, নিজেরা নিজেদের লেখনীকে সেন্সর করো। জিহ্বাকে সংবরণ করো। তাহলেই নিরাপদ থাকবে সবাই। আর যে ইয়াজুজ-মাজুজের কথা বলছ, তা কেবল তোমাদের কল্পনা। তাদের কোনো অস্তিত্বই নেই।’

তখন কাসাসোল আম্বিয়া মেলে ধরে নিজের পাতা।

লোকমান হেকিমের পরামর্শে পয়গম্বর সোলেমান মতান্তরে সিকান্দার জুলকারনাইন দেয়াল তুলে তাদের মানবজাতি থেকে বিচ্ছিন্ন করার পর ইয়াজুজ-মাজুজ জাতি তাদের ভাষাকে নির্বাসনে পাঠিয়েছে। কেউ কোনো শব্দ উচ্চারণ করে না। ওরা শুধু একটি শব্দ চেনে। জিভ দিয়ে পাথর লেহনের শব্দ। যা তারা নিজেরা করছে। কত দিন ধরে, তার কোনো হিসাব নেই। ওরা সূর্যোদয়আর সূর্যাস্ত আর এই দেয়াল ছাড়া কিছুই চেনে না। শুধু জানে, এই দেয়াল তাদের ভাঙতে হবে। সেই লক্ষ্যে তারা জিভ দিয়ে খুঁড়ে চলেছে দেয়াল। সূর্যোদয়ে শুরু, সূর্যাস্তে বিরাম। প্রজন্মের পর প্রজন্ম, অযুতাব্দীর পর অযুতাব্দী কেটে গেছে একই কাজে।

লক্ষ-কোটি জিহ্বা কাজ করে চলেছে একই তালে।সূর্যোদয়ে তাদের জিহ্বায় ভর করে অসুরশক্তি। কিন্তু সূর্যাস্তে তারা হয়ে পড়ে নবজাত শিশুর মতো দুর্বল। ততক্ষণে দেয়াল হয়ে যায় কাগজের মতো পাতলা। আর মাত্র কয়েকবার লেহনের প্রয়োজন। কিন্তু সেই শক্তিটুকুও তখন আর সঞ্চয়ে থাকে না। তারা ঘুমিয়ে পড়ে পরবর্তী সূর্যোদয়ের অপেক্ষায়। সকালে জেগে ওঠে একবুক আশা নিয়ে। কিন্তু দেয়াল আবার আগের মতো পুরু, অভেদ্য। প্রতিদিন দেয়ালের এই পাথুরে প্রতারণা ওদের হতোদ্যম করে না। বরং বাড়তি ঘৃণা জাগায়। দ্বিগুণ উত্তেজনা ও সংকল্পে ওরা আবার জিভ লাগায় দেয়ালে।

তবে কিছুদিনের সূর্যোদয় ওদের কাছে অন্য রকম মনে হচ্ছে। সূর্য যেন লালচে রঙের হাসি ছড়িয়ে দিচ্ছে। ওদের ভেতর ধর্ষকামী রিপু জ্বলে উঠল বহুগুণ তেজে। এই রিপু ওদের চিরচেনা। জন্মমুহূর্তে ওরা এই রিপুতে আক্রান্ত হয়। এই রিপুই ওদের কর্মশক্তির অফুরন্ত জ্বালানি-উৎস। সূর্যের ধনাত্মক ইশারায় ওদের জিভ ঝাঁপিয়ে পড়ল প্রতারক দেয়ালের গায়ে।

হঠাৎ দেয়াল পেরিয়ে এল অচেনা এক শব্দ। ইয়াজুজ-মাজুজ জাতি একটু থমকে দাঁড়াল। এ কি কোনো নিষেধাজ্ঞা? নাকি এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যাদেশ? দ্বিধা ওদের কাজে এনে দিল সাময়িক বিরতি। কিন্তু পরমুহূর্তেই সেই চিরচেনা রিপু আরও বর্ধিত শক্তিতে কামড় বসাল ওদের বুকে। উবে গেল সমস্ত দ্বিধা-সন্দেহ। ওরা আবার বিপুল উৎসাহে শুরু করল দেয়াল-লেহন। ভিন্নপার থেকে শব্দটা আসছে নিয়মিত। সেটা ছাদ পিটানো গানের মতো উৎসাহিত করে চলল ওদের। যেন ডাকছে—ইয়াজুজ-মাজুজ এসো! এসো ধ্বংসদূত! এসো! মানবজাতির মধ্য থেকেই একদল অন্তর্ঘাতক বের করে আনতে চাইছে ইয়াজুজ-মাজুজকে। এদিকে সূর্য একপাশ থেকে হাঁটতে হাঁটতে চলে এল আকাশের আরেক পারে। বিদায়ী ডুব দেওয়ার আগে ঝুলে রইল কিছুক্ষণ। যেন একচোখে তাকিয়ে আছে বিদ্রূপের ভঙ্গিতে, ‘আজকেও ব্যর্থ হলে তোমরা!’—সূর্যের এই নীরস বিদ্রূপ ওদের ভেতরের বহ্নিকে উসকে দিল আরও। কিন্তু সূর্যাস্তে তারা শক্তিহীন, নিরুপায়।

হঠাৎ শত শতাব্দীর স্তব্ধতার পর্দা ছিঁড়ে বেজে উঠল বিস্মৃত ভাষা, একজন তরুণ ইয়াজুজ-মাজুজের গলায়, ‘পরবর্তী সূর্যোদয়ে আমরা সফল হব! ঈশ্বরের অভিপ্রায় হবে। দেয়াল আর প্রতারণা করবে না।’

আজ এসে গেছে সেই দিন। বেরিয়ে পড়েছে ধ্বংসদূত।

হোলি আর্টিজানের মধ্যে তারা জবাই করছে একের পর এক নিরীহ নির্দোষ মানুষকে। অন্য ধর্মের। এবং নিজেদের ধর্মেরও।

কিন্তু জিম্মি কাউকে কেউ এমনি এমনি তো করবে না। কোনো দাবি আছে নিশ্চয়ই তাদের। কী সেই দাবি?

কোনো দাবির কথা কেউ বলতে পারে না। কারণ, জঙ্গিরা কোনো দাবিই জানায়নি। তাহলে ওরা এসব করছে কেন?

সিরাজ বলে, ‘আমাদের সরকার সব সময় দাবি করে আসছে যে দেশে আইএস নেই। ওরা যে আছে তা প্রমাণ করার জন্যই বোধ হয় এই কাণ্ড ঘটানো।’

সিদ্দিক আহমেদ অস্ফুটে বলে ওঠেন, ‘হায়রে, তাকফির ধারা আমাদের দেশেও চলে এল!’

প্রশ্নবোধক দৃষ্টিতে তাকায়Ñ সিরাজ, ‘তাকফির মানে?’

‘তাকফিরি বলতে তাদের বোঝায়, যারা কথায় কথায় অন্য মুসলমানদের কাফের ঘোষণা করে, এবং তাদের হত্যা করতে চায়। ওহাবিদের মধ্যে এই সংখ্যা বেশি। ওরা ইবনে তাইমিয়ার শিষ্য। কোরআনের আক্ষরিক ব্যাখ্যা করে। যেমন, রাসুল (সা.)–এর সময় জেহাদের যেসব আয়াত নাজিল হয়েছিল, সেগুলোকে সব সময়ই প্রযোজ্য বলে মনে করে।’

‘ওরা তো আছেই এই দেশে। ওরা কট্টর মুসলমান হতে চায়। মানুষ হতে চায় না।’

সিদ্দিক আহমেদের হঠাৎ মনে পড়ে ঢাকায় পড়াশোনারত নাতি-নাতনিদের কথা। মনের মধ্যে জেগে ওঠে দারুণ আকুলতা। ওরা ভালো আছে তো! নিরাপদে আছে তো! সিরাজকে জিজ্ঞেস করেন, ‘আজ সাদাব-মুনির-সাকলায়েনের সাথে কথা বলেছিস? ওরা সব ভালো আছে তো?’

‘মুনির আর সাকলায়েনের সাথে কথা হয়েছে। সাদাবকে বেশ কয়েক দিন হলো পাচ্ছি না। মুনির বলল যে সে কয়েক বন্ধুর সাথে ব্যাংককে গেছে বেড়াতে।’

‘ও। ব্যাংককে গেছে। তার মানে নিরাপদেই আছে। এই সময় দেশে তরুণ ছেলেদের না থাকাটাই বেশি নিরাপদ।’

একটার পর একটা কফিন বের করে আনা হচ্ছে। সারি করে রাখা হচ্ছে হোলি আর্টিজানের আঙিনায়।

হতবাক সিদ্দিক আহমেদ জিজ্ঞেস করেন, ‘ওরা কারা? কারা ওই হতভাগার দল? ওরা কি ব্লগার?’

খবরে তো মৃতদের পরিচয় দেওয়াই হচ্ছে। ওরা কেউ ব্লগার ছিল না। ওরা কেউ কোনো ধর্ম নিয়েও কোনো দিন কথা বলেনি। ওরা কেউ জাপান থেকে এসেছিল, কেউ ইউরোপ থেকে এসেছিল এই দেশের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে কাজ করার জন্য। আর এই দেশের কয়েকজন ছেলেমেয়ে ছিল, যারা বন্ধুদের নিয়ে নির্দোষ পান-ভোজনের জন্য গিয়েছিল হোলি আর্টিজানে।

তবু তাদের মরতে হলো!

সিদ্দিক আহমেদের মনে পড়ে ১৯৭১ সালের আগস্ট মাসের কথা। বিহারি হাফেজ আবদুর রহমান তখন এই জেলার প্রধান। পাকিস্তানি বাহিনীও তার কথায় ওঠে-বসে। সেই সময় ছাতনী গ্রামে একরাতে সাড়ে চার শ মানুষকে জবাই করল সে ও তার বাহিনী। ধরে আনা গ্রামবাসীর মধ্যে অনেকেই জোরে জোরে কলেমা পড়ছিল—লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (সা.)।

বিহারি হাফেজের সঙ্গীরা কেউ কেউ একটু ধন্দে পড়েছিল। বলেছিল, ‘হাফেজ সাহেব, এরা তো মুসলমান। এদের কি হালাক করার দরকার আছে?’

বিহারি হাফেজ তখন সুরা পান করে নিজেকে চরম উত্তেজনায় নিয়ে গেছে। বিনা দ্বিধায় উত্তর দিয়েছিল, ‘আরে বাঙালি আবার মুসলমান হয় কীভাবে? মার শালাদের। সাতটা বাঙালি জবাই করলে একটা হজের সওয়াব পাওয়া যাবে।’

কেউ কাউকে হত্যা করতে চাইলে অজুহাতের অভাব হয় না।

হোলি আর্টিজানে নির্দোষ মানুষগুলোকে জবাই করে মারল কারা?

এই উত্তর কে দেবে! সবাই জানে। কিন্তু কেউ কোনো শব্দ উচ্চারণ করে না।

০২.

প্রায় দুই সপ্তাহ পুরোপুরি অসুস্থ থাকার পরে সিদ্দিক আহমেদ চিঠি লিখতে বসলেন বন্ধুকে।

‘প্রিয় রওশন,

তুমি-আমিসহ অনেকেই এত দিন একটি ভুল ধারণা অবলম্বন করিয়া জীবন কাটাইতেছিলাম। আসলে মানুষ কখনো একা-একা বা নিজের পরিবার লইয়া সুখে থাকিতে পারে না। আর পাখিরাও সব সময় স্বাধীনমতো গান গাহিতে বা ঝগড়া করিতে পারে না। অন্য অনেক শব্দ তাহাদের সুরকে তছনছ করিয়া দেয়। আমি আজ প্রত্যুষে পাখিদের কাছে গিয়াছিলাম। তাহাদের কোনো কিচির-মিচির শুনিতে পাই নাই। শুনিয়াছি কেবল অসংখ্য রহস্যময় বাঁশরির সুর। সেগুলি খুবই ভয়ংকর। বুকের মধ্যে হিম অনুভূতি আনিয়া দেয়। সেই সুর শুনিয়া আমাদের তরুণ-যুবকরা বেপথু হয়। নিজের ভাইকে নিজে খুন করিতে দ্বিধাবোধ করে না। তখন আর তাহাদের মনে অন্য কোনো কথা থাকে না। থাকে কেবল সেই ভয়ংকর বাঁশরির সর্বনাশা সুর।’

সিদ্দিক আহমেদ অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন হত্যাকারীদের লাশের ছবি দেখে। তার মনে হয়েছিল, এই নৃশংস হত্যাকারীদের তিনজনের একজন তঁার প্রিয় নাতি সাদাব।

Comments

comments

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Top